বারাকপুর : বিজেপির রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরে। রথযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপির রথ এগোতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় উওর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়ার কাঁপা মোড় এলাকা।

বুধবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বীজপুর বিধানসভার কাঁচড়াপাড়ার কাঁপা মোড়ে বিজেপির রথ আটকানোর চেষ্টা করে বীজপুর থানার পুলিশ । ব্যারাকপুর-কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের রাস্তায় কাঁচরাপাড়ার কাঁপা মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মীরা পরিবর্তন যাত্রার রথ নিয়ে সেখানে পৌঁছলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয় । পরে বিজেপি কর্মীরা জোর করে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ঘটনায় এদিন কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেই ওই এলাকা।

আরও পড়ুন – আমহার্স্ট স্ট্রিটে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, অর্জুন সিংয়ের কনভয়ের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তিতে ওম প্রকাশ সাউ নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার জখম হন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে।

এদিকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বীজপুরে প্রবেশ করে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার রথ। এই পরিবর্তন যাত্রা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিজেপি জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্য বলেন, “আমাদের এই রথ যাত্রার সমস্ত অনুমতি আছে। অনৈতিক ভাবে তৃণমূলের কয়লা চোরের কথায় এই বীজপুরে আমাদের রথযাত্রা আটকানোর চেষ্টা করেছে ওরা। তবে আমরা গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাব।”

এদিকে বিজেপির এই রথযাত্রায় পুলিশের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় পুলিশি বাধা প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের নির্দেশে অন্যায় করছে পুলিশ। দিদিমণি আসলে ভয় পেয়েছে। সেই কারণে বারবার পরিবর্তন যাত্রায় বাধা হয়ে দাঁডাচ্ছেন।”

এদিকে একুশের নির্বাচনের আগে বাংলায় বিজেপির মাটি শক্ত করতে পরিবর্তনের রথ যাত্রা শুরু করেছে পদ্ম শিবির।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.