মালদহ: করোনা সংক্রমন রুখতে প্রশাসনের নির্দেশে ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউন। এই লকডাউনের প্রথম দিনেই পুলিশকে লাঠি পেটা করতে হলো। রবিবার সকাল থেকেই মালদহ শহরের রথবাড়ি বাজার, সদরঘাট বাজার,ঝলঝলিয়া বাজারে উপচে পড়া ভিড়। রসিক বাঙালি যেন বাজার ছাড়তে চাইছে না। নির্দিষ্ট সময়ের পরেও অনেকে দোকান খোলা রেখেছিল। বাজার বন্ধ করতে আসরে নামে ইংলিশবাজার থানার পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে দেখা যায়। ‌

সকাল থেকেই শহরের সদরঘাট, ঝলঝলিয়া, কোঠাবাড়ি, নেতাজী পৌরবাজারে লাঠি হাতে বাজার বন্ধ করে পুলিশ। রাস্তা ফাঁকা ছিল। সব জায়গায় পুলিশকে নাকা চেকিং করতে দেখা যায়। গাজোল, রতুয়া, পুখুরিয়া, মানিকচক, চাঁচোল সহ বিভিন্ন জায়গায় অনেকেই লকডাউন ভেঙে পথে অনেকে বেরিয়েছে। শহরের বালুরচর এলাকায় নাকা চেকিং করা হয়। সেখানে মাস্কহীন অপ্রয়োজনে বাইরে বেড়োন মানুষদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় নথি দেখালে তবে শহরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

মালদহ মার্কিন চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু বলেন, যে ভাবে দিনদিন করোনাই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে রাজ্য সরকার যে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।আমরা বিভিন্ন বাজারে মাইকিং করে জনসাধারণকে সচেতন করছি। দোকানদারদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের নির্দেশ মানতে। করোনা সংক্রমণ আটকাতে আমরা সর্বদাই রাজ্য সরকারের পাশে রয়েছি। পুলিশ প্রশাসনকে বলব তাদেরকে যাতে প্রথমে বোঝানো হয় যদি তার পরেও না শুনে তারপরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ইংলিশবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায় বলেন,আজকে আমরা বিভিন্ন জায়গায় ওয়ার্নিং দিয়েছি। সোমবার থেকে আরও কঠোর হবে পুলিশ। ‌নির্দিষ্ট প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে বা অন্য কোনো জরুরি কাজে মানুষ বেরোতে পারে অকারণে যারা পথে-ঘাটে ঘোরাঘুরি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে শনিবার রাতে লকডাউন শুরুর আগে অন্ধকারে শাটার ভেঙে পানশালায় চুরি করা হয়েছে লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী। এমনই মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের মাঝড়ার অঞ্চলের হাটের কাছে পানশালা রয়েছে। ওই দোকানের মালিক আশিক প্রসাদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.