বোলপুর: এবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলার মাঠে পাঁচিল ভাঙচুরের তদন্ত শুরু করল পুলিশ। শনিবার বিশ্বভারতীতে গিয়েছিলেন শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা।

সেদিনের ভাঙচুরের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও দেখেছেন তদন্তকারীরা। মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে হওয়া গন্ডগোল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও নিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পৌষমেলার মাঠে উপাচার্য নিজে দাঁড়িয়ে থেকে পাঁচিল তোলার কাজ করছিলেন। স্থানীয়দের একাংশ রীতিমতো পে-লোডার নিয়ে গিয়ে তা ভেঙে দেয়। এই ঘটনা ঘিরে এবার নজিরবিহীন এক পরিস্থিতির মুখে পড়ে দেশের ঐতিহ্যমণ্ডিত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতী।

এই ঘটনায় স্থানীয় বিধায়কেরও নাম জড়িয়েছে। তাঁরই উসকানিতে পাঁচিল ভাঙা হয়েছে বলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে। এমনকী প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও নালিশ ঠুকেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

সেই সঙ্গে গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের যুক্তি, বহিরাগতদের আনাগোনা বন্ধ করতেই পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়া প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, পৌষ মেলার মাঠে অসামাজিক ও বিপজ্জনক কাজকর্মও চলে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

বিশ্বভারতীকাণ্ডে তদন্তে নেমেছে ইডি-ও। কিছুদিন আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিল ইডি-র তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙার ঘটনায় প্রভাবশালী-যোগের অভিযোগ উঠেছিল। সত্যিই পাঁচিল ভাঙার সঙ্গে প্রভাবশালী-যোগ রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখছে ইডি।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।