স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: বাইক চুরির তদন্তে নেমে বাইক চোরদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ৷ সেখান থেকেই সূত্র ধরে তল্লাশি শুরু হয় উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর এলাকায়৷

পুলিশ সূত্রের খবর একটি মোটর সাইকেল সারাইয়ের গ্যারেজ থেকে উদ্ধার হয়েছে চোরাই বাইকের একাধিক অংশ৷ উদ্ধার হয়েছে একটি বাজাজ পালসার মোটর সাইকেল ও মোটর সাইকেলের খোলা যন্ত্রাংশ৷

হাওড়া সিটি পুলিশের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বাদুড়িয়া থানা এলাকার বাগজোলা থেকে সৌরভ ঘোষ(২০) ও ইমন হক মন্ডলকে(২৪) নামের দুই বাইক-লিফটারকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পরে বারাসত জেলা পুলিশের আওতায় থাকা বামুনগাছি-দত্তপুকুর এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি বাইক ও একটি বাইকের যন্ত্রাংশ।

দুদিন আগেই এই বাইক চুরির চক্রের তল্লাশিতে বড়সড় সাফল্য পায় হাওড়া সিটি পুলিশ৷ গত কয়েক মাস ধরে হাওড়ায় বিভিন্ন বাইক চুরির ঘটনা ঘটে চলছিল৷ তার তদন্তে নামে হাওড়া সিটি পুলিশ৷ এক চক্রের হদিস পায় তারা৷ সিসিটিভির ফুটেজ দেখে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বিশেষ অভিযান চালিয়ে গোলাবাড়ি থানা এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেফতার করে৷

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃতরা হল ইফতিকার আলম (২৯) ওরফে সোনু, মহম্মদ শাহেদ (৩২) ওরফে রাজু এবং প্রদীপ রুইদাস (২৬)৷ সোনু কলকাতার কাশীপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। রাজু বেলঘরিয়া থানা এলাকার কামারহাটির বাসিন্দা। ধৃত প্রদীপ মেদিনীপুরের দাসপুরের বাসিন্দা।

বেশ কয়েকমাস ধরে হাওড়ার বিভিন্ন থানা এলাকায় পুলিশের কাছে অনেক বাইক চুরির অভিযোগ জমা পড়ছিল। অভিযোগ আসতেই নড়েচড়ে বসেন গোয়েন্দারা। সিসিটিভির মাধ্যমে শুরু হয় নজরদারি। তদন্তে নেমে অবশেষে এই তিন দুষ্কৃতীকে ধরতে সক্ষম হয়৷ ধৃতদের কাছ থেকে দুটি চোরাই বাইক, মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, ধৃতেরা হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওইসব বাইক চুরি করার কথা স্বীকার করেছে। তবে এরা কেউই হাওড়ার বাসিন্দা নয়। অন্য জেলা থেকে এসে হাওড়ায় বাইক চুরি করত তারা। গোলাবাড়ি থানায় এদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।