স্টাফ রিপোর্টার, হলদিয়া: সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে দিয়ে বাড়ছে অপপ্রচার৷ কিডনি পাচারকারী, দুষ্কৃতকারী, অপহরণকারী ইত্যাদির তকমা দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে কিছু মানুষ। সেই অপপ্রচারে যাতে সাধারণ মানুষ পা না দেন তার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশ জনসচেতনতার কাজে নেমেছেন৷

ফের জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার হলদিয়া ভবানীপুর থানার রবীন্দ্র- নজরুল মঞ্চে সচেতনতা শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়। শিবিরে হলদিয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক পারিজাত বিশ্বাস, মহকুমাশাসক কুহুক ভূষণ, হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদক সহ অন্যান্যরা।

এদিন এলাকার নাগরিকদের গুজবে কান না দিয়ে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা জানানো হয়। যদি তা না করে কেউ বা কারা আইন নিজের হাতে নিয়ে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাহলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার ঘোষণা করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে দীর্ঘ প্রায় কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে কিডনি পাচারকারী ও ছেলেধরা সম্পর্কিত নানান গুজব। আর এই গুজবে মেতেছে সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলাবাসী। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে তার সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও ততো উন্নত হচ্ছে। আর এই উন্নতির পথ অনুসরণ করে মানুষের হাতে হাতে এসে গিয়েছে স্মার্টফোন।

যার ফলে সোশ্যাল মিডিয়া সাধারণ মানুষের কাছে ব্যবহার করা খুব সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। আর এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জেলা জুড়ে এখন ছড়িয়ে পড়েছে কিডনি পাচারকারী ও ছেলে ধরা সম্পর্কিত নানান গুজব। এই গুজবের ফলেই এখন আতঙ্কিত সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলাবাসী। তাই পুলিশ জনসচেতনতার কাজে নেমেছেন৷

এই ধরণের পরিস্থিতিতে এখন চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন। তারা এই গুজবে কান না দেওয়ার জন্য গত বেশ কয়েকদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পুলিশের এই প্রচারে কান নেই সাধারণ মানুষের। তারা এখন মেতেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের গুজবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা