ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: সকালে হিংসার ঘটনায় ভয়ের বাতাবরণ৷ তারপরই প্রশাসনকে কড়া হওয়ার নির্দেশ কমিশনের৷ সকাল গড়িয়ে দুপুর, ছবিটা কিছুটা পালটালো৷ পুলিশি ঘেরাটোপে বুথমুখী ভোটাররা৷ ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে লম্বা লাইন৷

আরও পড়ুন: ছেলেরাও বোরখা পরে এসে ছাপ্পা দিচ্ছে, বিস্ফোরক দাবি বিজেপি প্রার্থীর

গণতন্ত্রের উৎসবে হিংসার ঘটনা৷ বাংলায় এটাই যেন দস্তুর৷ প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় দফার ভোটেও ভোটের দিন হিংসার ঘটনা এড়াতে পারলো না বাংলা৷ এদিন ভোট শুরুর পর থেকে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের চোপড়া৷ ভোটারদের বাধা বুথে যেতে দেওয়া, ভয় দেখানো সহ বুথ জ্যামের অভিযোগ ওঠে৷

ফাইল ছবি

 

শুরু হয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের বচসা৷ রাজ্য পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বুথে ভোটের ব্যবস্থার দাবিতে সরব হন ভোটাররা৷ পুলিশি আশ্বাসেও কাজ হয়নি৷ দফায় দফায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ চলে৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ৷ শূন্যে পুলিশ গুলি চালায় বলেও অভিযোগ৷ পালটা গ্রামবাসীরাও পুলিশকে দেখে বোমা ছোঁড়ে বলে অভিযোগ৷ হামলার জন্য বিরোধীদের নিশানায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল৷

আরও পড়ুন: রাজ্যে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী চাইছে বিজেপি

ইসলামপুরে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়৷ অভিযোগ ভাঙচুরের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল আশ্রত দুষ্কৃতীরা৷ কমিশনের রিপোর্ট করে সিপিএম, বিজেপি৷ পদক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন৷ সকালের গণ্ডোগোলের কারণে ভয় পেয় যান ভোটাররা৷ তারা আর বুথমুখী হচ্ছিলেন না৷ ফলে গণতন্ত্রের উৎসবের তেনা ছবিটা অনেকটাই ফ্যাকাসে হতে শুরু করে৷

আরও পড়ুন: মহম্মদ সেলিমের গাড়িতে হামলা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

এরপরই কমিশনের নির্দেশে সক্রিয় হয় প্রশাসন৷ সশস্ত্র রাজ্য পুলিশ এসকর্ট করে ভোটারদের বুথে বুথে পৌঁছে দেয়৷ পুলিশের পদক্ষেপে আস্থা বাড়ে ভোটারদের৷ বেলা একটার পর থেকে চোপড়ায় থমথমে পরিবেশ উধাও৷ ফের ফাঁকা বুথে ভোটারদের ভিড়৷ অনবরত মিলছে ইভিএমের শব্দ৷ বন্দুকের নলের কড়া নজরে ফের গণতন্দ্রের উৎসবের চোপড়া৷