শ্রীনগর: জম্মু কাশ্মীরের শ্রীনগরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেছিলেন বিজেপি কর্মীরা। পরিবর্তে আটক হতে হল তাঁদের। একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে গোটা ঘটনাকে রেকর্ড করে। তাতে দেখা গিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীরা লালচকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেছিলেন।

গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ভারত মাতা কি জয় শ্লোগান দিতে দিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন ওই বিজেপি কর্মীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই কাশ্মীরের রাজনৈতিক দল পিডিপির দফতরে জাতীয় পতাকা লাগানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। যে ঘটনা থেকে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দিন কয়েক আগেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি বলেন ‘‘যতদিন কাশ্মীরের জন্য নির্ধারিত পতাকা না ফেরানো হবে ততদিন দেশের জাতীয় পতাকাকেও সম্মান দেখানো সম্ভব নয়। আমাদের পতাকা ফিরিয়ে দেওয়া হলে ফের আমরা জাতীয় পতাকা হাতে তুলে নেব।’’

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানোর দাবিতে উপত্যকার বিজেপি বিরোধী জোটে রয়েছে তাঁর দল পিডিপি। বিরোধীদের এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন জম্মু কশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা।

এদিকে, গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্তি মেলার পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই বিজেপিকে তুলোধনা করেছেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি।স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই মন্তব্যে দেশ জুড়ে ক্ষোভ তৈরি হয়।

সদ্য একটানা ১৪ মাসের গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হয়েছেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বতিলের পর থেকে তাঁকে গৃহবন্দি করেছিল মোদী সরকার। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি ছিলেন মেহবুবা মুফতি।

গৃহবন্দী দশা থেকে মুক্তি পেয়েই মুফতির এই ধরণের বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার নজরেই দেখছে কেন্দ্র। বিজেপির দাবি তাঁকে ফের গৃহবন্দী করা হোক। জম্মু কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না জানান লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা দরকার। একের পর এক রাষ্ট্রদ্রোহী মন্তব্য করছেন মেহবুবা মুফতি। যা কখনই মেনে নেওয়া যায় না।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।