কলকাতা: সোমবারের পর মঙ্গলবার করোনায় আরও এক পুলিশ কর্মীর মৃত্যু৷ সোমবারে মৃত্যু হয়েছিল কলকাতা পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর মানব বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ আর মঙ্গলবার করোনার বলি কনস্টেবল কমল কৃষ্ণ বল৷ ফলে এই পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতা পুলিশের ১৮ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এমনটাই সূত্রের খবর৷

লালবাজার সূত্রে খবর, কনস্টেবল কমল কৃষ্ণ বল। কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত ছিলেন। একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভর্তি হন হাসপাতালে৷ মঙ্গলবার প্রাণ হারালেন৷ প্রয়াত সহকর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে কলকাতা পুলিশ আছে, এবং থাকবে সর্বতোভাবে৷

জানা গিয়েছে, গত সাতদিন আগে করোনা আক্রান্ত হন কনস্টেবল কমল কৃষ্ণ বল(৪৫)৷ তারপর তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানেই আজ মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়৷

গতকাল করোনায় মৃত্যু হয়েছে সাব ইনস্পেক্টর মানব বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। কমল কৃষ্ণ বল এর মত মানববাবুও একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে৷

তার আগে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল কলকাতা পুলিশের ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সিংহের৷ তিনি কলকাতা আর্মড পুলিশের তৃতীয় ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন৷ তিনিও একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। সেখানেই প্রাণ হারান৷

তারও আগে নবমীতে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল মনোজ কুমার সিং এর৷ তিনি কলকাতা পুলিশের পোর্ট ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন৷ এই যোদ্ধাও একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনার সঙ্গে৷ শেষ করোনাই তার প্রাণ কেড়ে নিল৷ তারও আগে পুলিশ শহিদ স্মৃতি দিবসে করোনায় মৃত্যু হয়েছে কলকাতা পুলিশের এক কর্মীর৷

লালবাজার জানিয়েছিল, ‘সাব ইনস্পেক্টর হারাধন দাস৷ সার্ভে পার্ক থানায় কর্মরত ছিলেন৷ একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে৷ সেখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করলেন৷

এছাড়া পুজোর মুখে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক পুলিশ অফিসারের মৃত্যু হয়েছিল৷ একটি বেসরকারি হাসপাতালে এএসআই তুষার কান্তি কুলে প্রাণ হারান৷ তিনি হরিদেবপুর থানায় কর্মরত ছিলেন৷ একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে। করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে৷ সেখানেই প্রাণ হারান৷

কিন্তু একের পর এক যোদ্ধাকে হারালেও এখনও করোনার বিরুদ্ধে একেবারে সামনে থেকে লড়াই চালাচ্ছেন কলকাতা পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।