কলকাতা: করোনায় কলকাতা পুলিশের আরও এক কনস্টেবলের মৃত্যু৷ শোকের ছায়া পুলিশ মহলে৷ লালবাজার জানিয়েছে,কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিভিশনের কনস্টেবল শঙ্কর চক্রবর্তী। ডেপুটেশনে কর্মরত ছিলেন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে৷ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভর্তি হন হাসপাতালে৷ সেখানের আজ বুধবার তার মৃত্যু হয়৷ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা৷

এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর সত্যব্রত পালের মৃত্যু হয়৷ তিনি ডেপুটেশনে কর্মরত ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ স্টেট পুলিশ অ্যাকাডেমি, বারাকপুরে।

অসুস্থ বোধ করলে করোনা টেস্ট করা হয়৷ গত ২৬ ডিসেম্বর সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷ এরপর তাকে বাইপাসের কাছে একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ শেষ পর্যন্ত তিনি করোনার কাছে হেরে যান৷ মৃত্যুকালে তিনি রেখে গিয়েছেন স্ত্রী ও দুই সন্তান৷

তারও আগে কলকাতা আর্মড পুলিশের ষষ্ঠ ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর সমীর কুমার নাথ, কলকাতা পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর মানব বন্দ্যোপাধ্যায়,কনস্টেবল কমল কৃষ্ণ বল, কলকাতা পুলিশের ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সিংহ, কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল মনোজ কুমার সিং ও সাব ইনস্পেক্টর হারাধন দাস সহ কলকাতা পুলিশের ২১ জন অফিসার ও পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে৷ এরা প্রত্যেকেই সামনের সারিতে থেকে লড়ছিলেন করোনা-যুদ্ধে৷

কিন্তু একের পর এক যোদ্ধাকে হারালেও এখনও করোনার বিরুদ্ধে একেবারে সামনে থেকেই লড়াই চালাচ্ছেন কলকাতা পুলিশ৷ তবে স্বস্তির খবর,চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পরই পুলিশ প্রশাসন টিকা পাবেন,তার তালিকা তৈরি হচ্ছে৷

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ২৯৫ জন৷ সোমবার ছিল ২৫২ জন৷ রবিবার ছিল ৩৮৯ জন৷ তারফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৫০ জন৷

বাংলায় ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের৷ সোমবার ছিল ৭ জন৷ তুলনামূলক ফের বাড়ল দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ তারফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ১২২ জন৷ এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩,০৬৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাটা ২,৪৫৯ জন৷

একদিনে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ২ জনের৷ উত্তর ২৪ পরগণা ৩ জন৷ নদিয়ায় ২ জন৷ হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে একজন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।