স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: জায়গা দখল করা নিয়ে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হল বর্ধমান পুরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডে৷ একইসঙ্গে এই উত্তেজনায় একটি গোষ্ঠীর লোকজন বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে গেলে তার ছবি তুলতে গিয়ে দৈনিক কাগজের এক সাংবাদিককে বেধড়ক মারধোর করে থানা লকআপে ঢুকিয়েও দিল বর্ধমান থানার পুলিশ৷

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ৮নম্বর ওয়ার্ডে ৬ কাঠা জমি উদ্বাস্তুদের জন্য থাকা একটি জমিকে দখল করার উদ্যোগ নেয় স্থানীয় বাসিন্দা শিবু দে। তা নিয়ে বাধা দেন এলাকার কিছু বাসিন্দা। শিবু দে-র দাবি, তিনি ওই জায়গাটি পার্থপ্রতীম চৌধুরীর কাছ থেকে বৈধভাবেই পেয়েছেন এবং তাই তিনি জায়গাতে বসবাস করার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় ক্লাব সহ বেশ কয়েকজন তার কাছ থেকে অর্থ দাবি করেন। তিনি তা না দেওয়াতেই তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়।

যদিও শিবু দে-র পাল্টা গোষ্ঠীর দাবি, উদ্বাস্তু জমির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী এক ব্যক্তির দুটি জমি থাকতে পারে না। ওই ৬ কাঠা জমির যিনি মালিক ছিলেন তিনি অন্যত্র একটি জমি ভোগ করছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই ৬ কাঠা জমিকে তিনি ছেড়ে দেন। তারপর থেকেই জমিটি পরিত্যক্ত হিসাবে পড়েছিল। এলাকার বাসিন্দাদের ইচ্ছা ছিল ওই পরিত্যক্ত জমিতে শিশুদের জন্য একটি পার্ক তৈরি করা হবে। কিন্তু সম্প্রতি শিবু দে-র এক আত্মীয়ের বিয়ের জন্য ওই জমিটি ব্যবহার করেন শিবু দে। এরপর থেকেই শিবু দে ধীরে ধীরে ওই জমিটি কব্জা করতে শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পারার পরই বাসিন্দারা তাতে বাধা দেন। তা নিয়ে দুপক্ষই বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তারপরই সোমবার শিবু দে ছাড়া তার বিরোধী গোষ্ঠীর দুপক্ষের মোট পাঁচ জনকে বর্ধমান থানায় ডেকে পাঠানো হয়। এরপর বর্ধমান থানাতেই দুপক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ চার জনকে আটক করেন। এই খবর পেয়ে শিবু দে-র বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন থানায় চড়াও হন। থানা ঘেরাও করে তারা বিক্ষোভও দেখাতে শুরু করেন। এই ঘটনায় পুলিশ শিবু দে এবং তার বিরোধী গোষ্ঠীর ১৩জন সহ মোট ১৪জনকে আটক করে। বর্ধমান থানার এক অফিসার জানান, এই ঘটনায় দুপক্ষের ১৪জনকে আটক করা হয়েছে। যদিও শিবু দে-র আনা অর্থ চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ক্লাবের কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।