কলকাতা: ওনার সমর্থকরাই পাথর ছুঁড়িল। পুলিশ বারণ করেছিল, থামানোর চেষ্টা করেছিল। সেইসময় ওনারই কোনও সমর্থকদের ছোঁড়া পাথর লেগেছে অর্জুন সিংয়ের মাথায়। পুলিশ তো লাঠি মারলে গায়ে মারে, মাথায় মারে না। সোমবার বারাকপুরের ঘটনা নিয়ে এমনটাই জানালেন রাজ্য পুলিশের এডিজি জ্ঞানবন্ত সিং।

রবিবার দুপুরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারাকপুর। অর্জুন সিং-এর গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর আভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে অর্জুনের সমর্থকরা। সেই থেকেই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। এরপর রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় বারাকপুর। ঘটনাস্থলে যান বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার।

আহত বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন ইঁটের ঘায়ে নয়, পুলিশের লাঠির আঘাতে মাথা ফেটেছে তাঁর৷ এদিকে রবিবার অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনেও বোমাবাজি হয়৷ তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ৷ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ৷

আহত অর্জুন সিংকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে৷

মুকুল রায় রবিবারই অভিযোগ করেন, রাজ্য পুলিশ আসল ঘটনা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছে৷ কোনও তথ্য সামনে আনতে দিচ্ছে না৷ এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিও জানান মুকুল রায়৷ তিনি বলেন যেভাবে একজন সাংসদের ওপর হামলা চালানো হল পুলিশের মদতে, তাতেই বোঝা যায় রাজ্যে গণতন্ত্রের কি পরিস্থিতি৷ একজন সাংসদ যদি হামলার শিকার হতে পারেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশ্ন তুলেছেন এই বিজেপি নেতা৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও