তিরুঅনন্তপুরম: অস্বাভাবিক মৃত্যু হল কেরলের প্রাক্তন রঞ্জি ক্রিকেটার জয়মোহন থাম্পির। সোমবার নিজ বাসভবনেই থাম্পিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে কেরল পুলিশ। প্রাক্তন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানকে খুনের সন্দেহে পুলিশ তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।

মৃত্যুর বেশ কয়েকঘন্টা পর ৬৪ বছর বয়সী জয়মোহন থাম্পির পচন ধরে যাওয়া দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মানকৌডে প্রাক্তন ক্রিকেটারের বাড়ির ভাড়াটেরা পচা লাশের দুর্গন্ধ পেলে খবর দেয় পুলিশে। এরপর পুলিশ এসে উদ্ধার করে দেহ। ঘরের ভিতরেই মদ্যপ অবস্থায় থাম্পির ছেলে অশ্বিনকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় বাবার মৃত্যুর বিষয়টি তাঁর কাছে অজ্ঞাত। একইসঙ্গে বয়ানে নানা অসঙ্গতি লক্ষ্য করায় থাম্পির ছেলেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে থাম্পির। মদ্যপ ছেলেকে বাবার খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে উদ্ধারের অন্তত ৩৬ ঘন্টা আগে মৃত্যু হয়েছিল থাম্পির। স্বাভাবিক কারণেই মৃতদেহে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে বাড়িতে হামেশাই একসঙ্গে বসে মদ্যপান করত বাবা এবং ছেলে। শনিবারও মদ্যপান করেছিল দু’জনেই।

তদন্তকারী এক অফিসারের কথায়, ‘জয়মোহন থাম্পির ছেলে অশ্বিন মদ কিনবে বলে বাবার ডেবিট কার্ডটি ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু জয়মোহন প্রতিবাদ করায় দু’জনের মধ্যে শুরু হয় বচসা। তাঁর পরিণতিতেই মৃত্যু।’ পুলিশ মনে করছে বচসা চলাকালীন বাড়ির বারান্দায় পড়ে মৃত্যু হয়েছে প্রাক্তন ক্রিকেটারের। এরপর ছেলে বাবার মৃতদেহ ঘরের ভিতরে টেনে নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে প্রচন্ড পরিমাণে মদ্যপান করে। আইপিসি’র ৩০২ ধারায় (খুন) অশ্বিনের বিরুদ্ধে মামলা রজু করেছে পুলিশ।

ডানহাতি উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ১৯৭৯-৮৩ কেরলের হয়ে প্রথম শ্রেণীর ৬টি ম্যাচ খেলেছিলেন। কেরল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জয়মোহন থাম্পির মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.