স্টাফ রিপোর্টার, চুঁচুড়া: সংঘর্ষ কবলিত তেলেনিপাড়ায় ঢোকার চেষ্টা করায় দুই বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ সাংসদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ৪৮৬, ৪৬৯, ৫০৫(২) ও ১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আগামী ২২ মে লকেট-অর্জুনকে তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। লকডাউন না মানা নিয়ে রবিবার থেকে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভদ্রেশ্বর থানা এলাকার তেলেনিপাড়া। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশাল পুলিশ বাহিনী-কমব্যাট ফোর্স মোতায়েন করা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলার ১১টি থানা এলাকায় ইন্টারনেট ও কেবল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও থমথমে।

ঘটনা নিয়ে গত বুধবার হুগলির জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অর্জুন সিং। কিন্তু কারোর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বিজেপির সাংসদরা। এরপরই ক্ষোভে ফেটেন পড়েন তাঁরা। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অর্জুন সিং-রা।

তেলেনিপাড়ার অশান্তির পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার ও ভদ্রেশ্বর থানার ওসির বদলির দাবি তোলেন তিনি। এরপর ওই রাতেই বদলি করা হয় ভদ্রেশ্বর থানার ওসি নন্দন পাণিগ্রাহীকে।

ফাইল ছবি

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ১২৯ জন অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে। পাল্টা তেলিনিপাড়ায় গিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অর্জুন সিং-কে গ্রেফতারের দাবি তোলেন হুগলি জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব। শনিবার লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অর্জুন সিং, দুজনের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।