ফাইল ছবি

কলকাতা: ফের কসবা এলাকায় মধুচক্রের পর্দা ফাঁস করল কলকাতা পুলিশ৷ গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে৷

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কসবা নস্করহাট রায়পাড়ার একটি বহুতলের নিচের তলায় চলছিল মধুচক্র৷ বুটিকের ব্যবসার আড়ালে বসত মধুচক্রের আসর৷ প্রতিদিনই সেখানে অচেনা মহিলা-পুরুষ আসত৷ যা দেখে সন্দেহ হয়৷ তারপর থেকে নজরদারি চালাচ্ছিল পাড়ার মানুষ৷ শনিবার সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন মহিলা ওই বহুতলে আসেন৷ তার আগে থেকেই কয়েকজন পুরুষ ওই ঘরে ছিল৷

মহিলারা বহুতলের নিচের তলার ঘরে ঢোকার পরে দরজা বন্ধ হয়ে যায়৷ এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢোকে দেখেন মধুচক্রের আসর বসেছে৷ খবর দেওয়া হয় পুলিশকে৷ খবর পেয়ে কসবা থানার পুলিশ এসে ব্যবসায়ী রতি মাহাতোসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে৷

এর আগেও আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কসবায় মধুচক্রের কারবার চলছিল৷ অভিজাত এলাকায় স্পা পার্লারের আড়ালে বসছিল মধুচক্র৷ দক্ষিণ কলকাতার কসবা এলাকায় হানা দিয়ে সেই সময় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ৷ যাদের ৬৫ বছরের একজন খদ্দের ছিল৷

অভিযোগ,দক্ষিণ কলকাতার কসবার রাজকৃষ্ণ মুখার্জি রোড৷ ওই এলাকায় রয়েছে একটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল৷ তার পাশেই ছিল লায়লা লুইস স্পা পার্লার৷ সেখানে নতুন নতুন লোকের আনাগোনা বেড়েই চলছিল৷ তাতে বিরক্ত ছিল অভিভাবকরা৷

পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায়৷ এবং গোয়েন্দারা হাতেনাতে ৭জনকে আটক করেন৷ এর মধ্যে তিনজন খদ্দের৷ একজন খদ্দের বয়স আবার ৬৫ বছর৷ যার নাম অমিত মিত্র৷ বাকি দু’জন হল মণীশ শর্মা, রাজেন্দ্র রামপুরিয়া৷ এছাড়া পার্লারের তিনজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ৷ এরা হল, ম্যানেজার পারমিতা রায়,সহ ম্যানেজার গণেশ সাউ ও নিশা পাত্র৷ একজন দালাল দীপক সরকার৷

আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে দিনের পর দিন এভাবে দেহ ব্যবসা চলছিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এমনকি প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকাও।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I