সোয়েতা ভট্টাচার্য, কলকাতা- হাতে আর কয়েকদিন বাকি তার পরেই সকলেই মেতে উঠবেন আলোর উৎসবে। তবে এই আলোর উৎসব খুব একটা শুভ হবে না সারা বাংলা আতশবাজি ব্যবসায়ী সমিতির কাছে।

এবছর ময়দানে বসছেনা বাজি বাজার। শুক্রবার বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নায়েছেন লালবাজার কর্তারা। এই এলাকা সেনা বাহিনীর অধীনে হওয়ার কারনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর।

আরও পড়ুন: একপ্রকার প্রশাসনের মদতে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি মদ ব্যবসা

এই খবর প্রকাশিত হতেই হতাশার ছায়া নেমে উঠেছে আতশবাজির সমিতির কাছে।শহরে মোট পাঁচটি জায়গায় এই বাজি বাজার বসে। শহরের প্রানকেন্দ্র মৈদানের বাজি বাজার সব থেকে বেশী জনপ্রিয় মানুষের কাছে। এই বাজি বাজার থেকেই সব থেকে বেশী লাভবান হতেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এবার এই বাজার কোথায় বসবে সেই নিয়ে অনিশ্চয়তা ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সারা বাংলা আতশবাজি ব্যবসায়ী সমিতীর চেয়ারম্যান বাবলা রায় কলকাতা 24×7 কে জানান,”আমরা এই বাজারের জন্য সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছিলাম।

আরও পড়ুন: ধোনি না প্রসাদ! ফাটকায় সেরা কোন ‘এমএস’?

মোট 54 জন ব্যবসায়ী এখানে স্টল দেবেন বলে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন।পুলিশের এই সিদ্ধান্তে হতাশায় ভুগছি আমরা”।অন্যদিকে এই বাজি বাজারের জন্য অন্য জায়গার খোঁজ শুরু হয়েছে। বাবলা রায় জানান,” অন্য জায়গায় এই বাজি বাজার স্থানান্তরিত হলেও লাভের শতাংস অনেকটাই কমে যাবে।কারন মৈদানে যে ভাবে বিক্রি হত তার তুলনা অন্য জায়গায় বিক্রির হার অনেকটাই কমে যাবে।

অন্যদিকে শুক্রবার পিটিএস-এ বাজি নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই বৈঠকে জানান হয় আগামী সোমবার টালা পার্কে আতশবাজি পরিক্ষা করা হবে।সেই বিষয় নিয়ে বাবলা রায় জানান,”বাজি অনেক আগে থেকেই বাজারে ছড়িয়ে পরে।

আরও পড়ুন: বন্ধ হয়ে গেল বৈশাখী ব্রিজ

পরিক্ষা যদি দু মাস আগে থেকে করা হয় তাতে অনেকটাই সুবিধে হবে। এছাড়াও তাদের দাবি লাইসেন্সের জন্যে এক জানালা প্রথা ঠিক করা , লেক টাউনে যে বাজি বাজার হয় সেটা ঠিক করা এবং অবিলম্বে চীনা বাজি ও ফানুস বন্ধ করার মতো বিষয় তুলে ধরা হবে।

আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় কবিতা উৎসব উদ্বোধনে পদ্মশ্রী হলধর নাগ