স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ুয়াদের একাংশের মাদকাশক্তির কথা আগেই জানা গিয়েছিল৷ এবার তা প্রকাশ্যে চলে এল৷ নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) কলকাতা শাখা সোমবার গভীর রাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে মাদক পাচার চক্রের এক পান্ডা-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে৷

আরও পড়ুন: যৌন আসক্তিদের মানসিকতা মাদকাসক্তের সমান

সেই সূত্রে কলকাতার বেশ কয়েকটি নামকরা বেসরকারি কলেজের নাম উঠে এসেছে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পড়ুয়াদের মাদক বিক্রির করত এই অভিযুক্ত৷ ধৃতদের নাম নিলয় ঘোষ এবং জিরাম ওয়াটসন৷ এদের মধ্যে নিলয় এই চক্রের পান্ডা৷ মঙ্গলবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: যৌন মিলনের আগে মাদক নেওয়া উচিত কি? জেনে নিন সত্যিটা

এনসিবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রিসমাস এবং নিউ ইয়ারের জন্য শহরে মাদকের প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়৷ সেজন্য মাদক বিক্রেতাদেরও এই সময় প্রচুর চাহিদা থাকে৷ এই দুই উৎসবে মাদকের চাহিদা মেটাতে পাচারকারীরা নিজেদের স্টক গুছিয়ে নিচ্ছিল৷ সেই খবর পেয়ে আগে থেকেই ওত পেতে বসেছিল এনসিবি৷ সোমবার এই চক্রে এক ডিজে-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়৷ তাদের থেকে প্রচুর মাদকও উদ্ধার হয়৷ এই তিন অভিযুক্তকে জেরা করে নিলয়দের ব্যাপারে জানা যায়৷

মোবাইলের সূত্রে নিলয়দের ফোনে আড়ি পাতে পুলিশ৷ তারপর ক্রেতা সেজে তাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ শুরু হয়৷ নিলয়রা ক্রেতা ভেবেই কখনও পার্ক সার্কাস, কখনও সায়েন্স পার্ক আবার কখনও সল্টলেকে আসতে বলে৷ প্রথমদিকে তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরালেও শেষমেষ রাত দু’টো নাগাদ সল্টলেকের সেক্টর-২ তে একটি রেস্তোরায় গাড়ি করে মাদক নিয়ে আসে নিলয় ও জিরাম৷ সেখানে আগে থেকে তৈরি ছিল পুলিশ৷ শেষমেষ সেখান থেকেই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় তাদের৷ ধৃতদের থেকে প্রচুর মাদক লজেন্স এবং মাদকের গুড়ো পাওয়া গিয়েছে৷

এনসিবি’র এক কর্তা জানিয়েছেন, অনলাইনে এই মাদক কেনাবেচার কাজ করত নিলয়৷ পাশাপাশি ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাত৷ সল্টলেকের একটি বেসরকারি কলেজে কিছুদিন পড়ার পর ছেড়ে দিয়ে ডিসটেন্সে বিবিএ পড়ে৷ সলেজে পড়ার সময় থেকেই মাদকের কারবারে হাত পাকিয়েছিল নিলয়৷ তারপর থেকেই বিভিন্ন কলেজে মাদক বিক্রিতেও জড়িত সে৷ অন্যদিকে, ধৃত জিরাম দু’টি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থায় কাজ করে৷ সেই সুবাদে বিভিন্ন পার্টি আয়োজন করা এবং সেখানে যাতায়াত ছিল তার৷ সেই পার্টিগুলিতে ক্রেতা জোগাড় করা এবং তা সরবরাহ করত সে৷

ধৃতকে জেরা করেই শহরের একাধিক নামকরা বেসরকারি কলেজের নাম জানতে পেরেছে পুলিশ৷ কারা কারা সেই নেশা করত তাও জানা গিয়েছে৷ এদিন মাদকাশক্ত কয়েকজন পড়ুয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ৷ তার কাউন্সেলিং করাও শুরু হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।