স্টাফ রিপোর্টার কলকাতা: চোরাচালানের আগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঘের চামড়া উদ্ধারের ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু খাস কলকাতায় বাঘের চামড়া বিক্রির চেষ্টার ঘটনায় কপালে ভাঁজ পরেছে বন দফতরের কর্তাদের। বাঘের চামড়াসহ কলকাতা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে দুইজনকে। উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ টাকার বাঘের চামড়া। আজ ধৃতদের আদালতে তোলা হবে।

বন দফতরের বন্যপ্রাণ শাখার আধিকারিকরা গোপন সূত্রে খবর পান যে, বেশ কিছুদিন ধরে এক ব্যক্তি কলকাতায় একটি বাঘের চামড়া বিক্রির চেষ্টা করছে। শনিবার বন দফতরের আধিকারিকরা ক্রেতা সেজে হাতিবাগানে হানা দিয়ে হাতেনাতে একজনকে ধরে ফেলেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও একজনের নাম জানতে পারে।

তারপর ধৃতকে সঙ্গে নিয়ে শ্যামবাজারে অভিযান চালিয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বন দফতরের আধিকারিকরা। ধৃতদের নাম সৌরভ দাস ওরফে গোপাল ও তপব্রত মজুমদার। ধৃত দুই জনের বাড়িই শ্যামবাজার। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বাঘের চামড়াটি । এই বাঘের চামড়াটি ২০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার চেষ্টা হচ্ছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃতরা স্বীকার করে নিয়েছে বলে দাবি বন দফতরের কর্তাদের। ধৃতদের আজ ব্যাংকশাল কোর্টে তোলা হবে

এর আগেও চিতাবাঘের চামড়া পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে ছ’জন। জলপাইগুড়ি শিলিগুড়ির ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের দশ দরগা এলাকায়। বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের বনকর্মীরা অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি ১১ ফুট দৈর্ঘ্যের চিতাবাঘের চামড়া । বাজেয়াপ্ত হয়েছে দুটি গাড়ি। ধৃতদের মধ্যে দুজন অসমের বাসিন্দা এবং বাকি চারজন নিম্ন অসম সংলগ্ন কোচবিহারের বাসিন্দা ছিল। এবার এদের পাশাপাশি নাম জড়াল কলকাতার দুই বাসিন্দার।