ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে নিউক্লিয়ার গ্যাস লিক করে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গ্যাস লিক করে ক্রমেই বাড়ছে অসুস্থদের সংখ্যা। যদিও পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি বিষয়টিকে নিউক্লিয়ার গ্যাস বলে মানতে নারাজ। বিষাক্ত কোনও গ্যাস লিক করেই বিপত্তি বলে দাবি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির।

পাকিস্তানে নিউক্লিয়ার গ্যাস লিক করে বিপত্তি। গ্যাস লিক করে এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পওয়া গিয়েছে। বিষাক্ত ওই গ্যাস লিক করে অসুস্থ বহু। অসুস্থদের হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। রবিবার রাতে পাকিস্তানের করাচির কেমারি এলাকায় আচমকাই গ্যাস লিক করে।

করাচি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষাক্ত ওই গ্যাস লিক করে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে। পরে ৬ জনের মৃত্যু হয়। বাকিদের হাসপাতালে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছে। কীভাবে বা কেন ওই গ্যাস লিক করল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

পাকিস্তানের মন্ত্রী আলি জায়দি গ্যাস লিকের বিষয়টি নিয়ে পাক-আর্মির সহায়তা চেয়ে টুইট করেছেন। টুইটে জায়দি লেখেন, ‘করাচির কেমারি এলাকায় কীভাবে বা কোথা থেকে এই গ্যাস লিক করেছে তা তদন্ত করে দেখার জন্য পাক-নৌবাহিনীকে অনুরোধ করছি।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্যাস লিক করে যাঁরা অসুস্থ হয়েছেন প্রত্যেকেরই তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হচ্ছে। এদিকে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সন্দেহ কামরি জেটিঘাটে বড় কোনও জাহাজ থেকে রাসায়নিক কোনও পদার্থ নামাতে গিয়ে গ্যাস লিক করতে পারে।

অন্যদিকে, করাচিতে গ্যাস লিক করার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে সিন্ধ প্রশাসন। সিন্ধ মপ্রদেশএর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ ঘটনার তদন্ত নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে এবং কোথা থেকে বিষাক্ত এই গ্যাস লিক করল তা তদন্ত করে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, সমুদ্রে কোনও জাহাজ থেকে রাসায়নিক নামাতে গিয়ে গ্যাস লিক করার তত্ত্ব মানতে নারাজ পাক মন্ত্রী আলি জায়দি।

এরই পাশাপাশি স্তানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্তা ডিআইজি শার্জিল কারনাল জানিয়েছেন, শাকসবজি ভরতি একটি কন্টেনারই এই গ্যাস লিকের উৎসস্থল। গ্যাস লিক করে বহু মানুষ অসুস্থ হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে সব দিকেই নজর রেখে তদন্তের কাজ এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন পাক পুলিশের ওই কর্তা। এরই পাশাপাশি পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছেও গ্যাস লিক করা নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।