স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পাশের রাজ্য থেকেই অসৎ উপায়ে বিষ মদ পাচার হয়ে আসছে রাজ্যে৷ শান্তিপুরে বিষমদ কান্ডের তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এরকমই জানানো হল৷ মগরাহাট, সংগ্রামপুরের পর এবার নদীয়ার শান্তিপুরে বিষমদ খেয়ে মারা গিয়েছেন সাতজন৷ যদিও নদীয়ার সঙ্গে ঝাড়খন্ডের সীমানা না থাকার জন্য বহিরাগত তথ্যে মোটেও আমল দিতে রাজী নয় রাজ্যের বিরোধীরা৷

বুধবার শান্তিপুরে বিষমদ খেয়ে সাতজন মারা গিয়েছেন৷ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে দু-লক্ষ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে৷ শান্তিপুরের বিষমদ কান্ডের তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিআইডির হাতে৷ তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি৷ এর আগে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানার সংগ্রামপুরে বিষমদ খেয়ে কয়েকশ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ এদের মধ্যে ১৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷

সাতজনের মৃত্যুর খবর আসার পরই একটি সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, ‘‘বিহার এবং ঝাড়খন্ডের অনেক জায়গা থেকে ভ্যানে বিষমদ আসছে৷ ভ্যানের উপরে একরকম মদ এবং নীচে জালি মদ আনা হচ্ছে৷’’ পুরো বিষয়টির উপর পুলিশের নজর রাখার কথাও বলেন অমিত মিত্র৷ মদে কী মেশানো ছিল যার থেকে এরকম বিষক্রিয়া সে বিষয়েও পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানান তিনি৷

রাজ্যের বিভিন্ন ঘটনায় বিজেপি শাসিত ঝাড়খন্ড এবং এনডিএ সমর্থিত বিহারকে নিশানা করেন তৃণমূল নেতারা৷ তা সে পঞ্চায়তে ভোটে সন্ত্রাস হোক কিংবা দাড়িভিট স্কুলে ছাত্র মৃত্যু৷ এমনটাই অভিযোগ রাজ্যের বিরোধীদের৷ রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতা রাহুল সিনহা বলেন, ‘‘যদি বিহার-ঝাড়খন্ড থেকেই লোক আসছে তাহলে রাজ্যের পুলিশ আটকাচ্ছে না কেন? পুলিশমন্ত্রীই বা কী করছেন? এসব বলে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা বৃথা৷ মানুষ তৃণমূল সরকারের মিথ্যাচার ধরে ফেলেছে৷ দুঃখের বিষয় মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে৷ মানুষ এর জবাব দেবে৷ ’’