কলকাতা: শঙ্খ ঘোষের শারীরিক অবস্থার এখন অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। বুকে সংক্রমণ ও বয়স জনিত নানা সমস্যা থাকলেও আগের থেকে অনেকটাই ভাল রয়েছেন কবি। সব ঠিক থাকলে দ্রুতই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে। বুধবার শঙ্খ ঘোষকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এছাড়াও শঙ্খ ঘোষকে দেখতে হাসপাতালে যান বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী, অশোক ভট্টাচার্য এবং আরও অনেকে।

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন কবি শঙ্খ ঘোষ। ৮৭ বছরের কবি শঙ্খ ঘোষ ভুগছেন শ্বাসনালীর সমস্যায়। মঙ্গলবার সেই সমস্যা বেড়ে যায় অনেকটা। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তাঁকে ভরতি করা হয় মুকুন্দপুরের আমরি হাসপাতালে। ইন্টারনাল মেডিসিন স্পেশালিস্ট ডঃ সিকে মাইতির তত্ত্বাবধানে ভরতি রয়েছেন তিনি।

শঙ্খ ঘোষের অসুস্থতার কারণে উদ্বিগ্ন গোটা বাংলা কবিতা মহল। ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার-সহ আরও অনেকে। ১৩ জানুয়ারি নবনীতা দেবসেন স্মারক বক্তৃতার অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসদনে গিয়েছিলেন শঙ্খ ঘোষ। তারপর আর বাড়ি থেকে বেরতে পারেননি।

পদ্মভূষণ, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ও সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন কবি। ২০১১ সালে পদ্মভূষণ পান কবি শঙ্খ ঘোষ। ২০১৬ সালে জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় তাঁকে। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’র জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান শঙ্খ ঘোষ। ১৯৯৯ সালে কন্নড় নাটক বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ অনুবাদ করে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। কলকাতা ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা করেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.