নয়াদিল্লি : পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে ? তাহলে সাবধান হয়ে যান। কারণ এই বিশেষ নিয়ম না মানলে আগামী ৩১শে মার্চের পর থেকে আর টাকা লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা। উল্লেখ্য ২০২০ সালে এক ঘোষণার পর ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (ইউবিআই) এবং ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অব কমার্স (ওবিসি), পিএনবির সঙ্গে মিশে যায়। ফলে সমস্যায় পড়তে চলেছেন এই ব্যাংকগুলির গ্রাহকরাও।

সংযুক্তিকরণের ফলে জানানো হয়েছিল এই ব্যাংকগুলির চেকবই বদলে যাবে। সেই সময় আসন্ন। পিএনবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু চেকবই নয়, বদলে গিয়েছে আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড। ২০২১ সালের ৩১শে মার্চের পর থেকে পুরোনো আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড ব্যবহার করা যাবে না। ফলে টাকা লেনদেনে সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি ওই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টটিতে বেতন ঢোকে অথবা ইসিএস মারফত কোনও পেমেন্ট করা হয় তাহলে তা আটকে যাবে।

গত বছর এপ্রিল মাস থেকেই ব্যাংকের সংযুক্তিকরণ হয়ে গিয়েছে। এতদিন পর্যন্ত তিনটি ব্যাংকেই আলাদা আলাদা আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড চালু ছিল। তবে সেই নিয়ম বদলাতে চলেছে। এসএমএস করে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছেই নতুন আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বদলে যাচ্ছে কাস্টমার আইডি-ও।

গ্রাহকদের কী করতে হবে

১. সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নতুন আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড নিতে হবে

২. নতুন চেকবই ও পাশ বইয়ের জন্য আবেদন জানাতে হবে

৩. এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে যদি কোনও টাকা নির্দিষ্ট ভাবে কাটা হয়, বা জমা হয়, তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন আইএফএসসি-এমআইসিআর কোড ও অ্যাকাউন্টের বদলে যাওয়া তথ্য জানাতে হবে। নতুবা সমস্যা হবে টাকা লেনদেন করতে।

৪. তবে পিএনবির তরফে জানানো হয়েছে ইউবিআই বা ওবিসি-র গ্রাহকরা কোথাও পোস্ট-ডেটেড চেক (পিডিসি) দিয়ে থাকলে তা ‘বাউন্স’ করবে না। নতুন এমআইসিআর কোডের সঙ্গে পুরোনো এমআইসিআর কোড ম্যাপ করা রয়েছে। কাজেই পুরোনো চেক বাউন্স করার কোনও সম্ভাবনা নেই। তা সত্ত্বেও কোনও সমস্যা হলে গ্রাহকরা পিএনবি-র টোল ফ্রি নাম্বারে ফোন করে বা care@pnb.co.in -আইডিতে যোগাযোগ করে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন।

এছাড়াও এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে ব্যাংকের তরফে দেওয়া হয়েছে একটি টোল ফ্রি নম্বর। সেটি হল 18001802222/18001032222.

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।