নয়াদিল্লি: লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিন ভারত সেনাদের সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার ঘটনা রাতে জানা যেতেই রাতে বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদী। শীর্ষ মন্ত্রী ও সেনা প্রধানদের সঙ্গে এই বৈঠক সারেন মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এম এম নারভানে রাত দশটার দিকে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এএনআই সূত্রে খবর, চিনা সেনাবাহিনীর ৪৩ জন হতাহত হয়েছেন। যদিও সেনার তরফে এখনও কোনও বিবৃতি দিয়ে একথা জানানো হয়নি।

মঙ্গলবার সেনার তরফে সকালে জানানো হয়, ৩ জন ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তবে রাতের দিকে সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে ৩ না, মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ২০। এরপরেই মিটিংয়ে বসেন নরেন্দ্র মোদী।

এএফপি জানিয়েছে সীমান্তে কোনও গুলি চালানো না হলেও দুই বাহিনী নিজেদের মধগ্যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। সোমবার মধ্যরাত অবধি দুই বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলেছে খবর। চিনা সেনারা রড ও লাঠি দিয়ে ভারতীয় বাহিনীর ওপর হামলা চালায় বলে দাবি।

ভারতীয় সেনাদের ওপর এই হামলায় ক্ষোভে ফুঁসছে দেশবাসী। চিনকে যোগ্য জবাব দিতেব মোদী সরকারকে চাপ দিচ্ছেন নানান রাজনৈতিক দলের নেতারাও।

লাদাখের ঘটনা শুনেই গুজরাতের আহমেদাবাদে বাপুনগরে চিনা রাষ্ট্রপতি জি জিনপিং -এর ছবি পোড়ানো হয়। এমনকি প্রতীকী হিসেবে নানান চিনা ইলেকট্রিক দ্রব্যও পোড়ানো শুরু হয়ে যায়।

লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে তৎপরতা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। দিল্লিতে দফায়-দফায় আলোচনা শুরু ভারত ও চিনের মেজর জেনারেলদের। আলোচনার মাধ্যমেই সংঘাত এড়াতে তৎপর দু’পক্ষই। লাদাখ ও ভারত-চিন সীমান্তের অন্য এলাকাগুলিতেও যাতে কোনওভাবেই দু’দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেব্যাপারে আলোচনায় দুই দেশের সেনাকর্তারাও।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ