নয়াদিল্লি: ন্যাশানাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) যাতে তাদের হাতে থাকা সকল রাস্তা এবং যে সকল রাস্তার কাজ করছিল সেগুলির কাজ বন্ধ করে বেসরকারি সংস্থারে দিয়ে করিয়ে নিতে বলা হয়েছে ৷ প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও) থেকে এমনই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ৷ একটি ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমে এই খবরটি প্রকাশ হয়েছে৷

প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্র এই মর্মে একটি চিঠি দেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের সচিব সঞ্জীব রঞ্জনকে যাতে কাজকর্মে উন্নতি করতে ও সহযোগিতার জন্য এমন পরামর্শ দেন । এনএইচএআই কে দেওয়া চিঠিতে লেখেন ” অপরিকল্পিত এবং অতিরিক্ত রাস্তা সম্প্রসারণের ফলে সম্পূর্ণ ভাবে লগজ্যামড হয়ে পরছে এবং সেই স্থানের আশেপাশের জমি কেনা বা নতুন নির্মাণের জন্য বেশি দাম দিতে হচ্ছে৷” সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম ওই চিঠি দেখেছে বলে দাবি করেছে৷

চিঠিতে বলা হয়েছে, ” রাস্তা পরিকাঠামোগত তেমন বাণিজ্যিক ভাবে সফল নয়, বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা এবং নির্মাণ সংস্থাগুলি এই সকল নতুন প্রকল্প থেকে ধীরে ধীরে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। আরও বলা হয়েছে, হাইব্রিড অ্যানুইটি মডেল অর্থাৎ যেখানে সরকারী এবং বেসরকারি উদ্যোগ নতুন রাস্তার ব্যয়ভার ভাগ করে নেয়, তা কিন্তু ভঙ্গুর হয়ে যায়৷

এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এনএইচএআই কে জানানো হয় হয়তো টোল অপারেট ট্রান্সফার মডেল অনুযায়ী নিলামী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে না হলে পরিকাঠামো বিনিয়োগ ট্রাস্ট গঠন করে আয় সংক্রান্ত পরিকাঠামোগত সম্পত্তিগুলির উপর বিনিয়োগকারিদের লগ্নি করাতে।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আরও জানানো হয়, এনএইচএআই রোড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি হওয়া ন্যাশানাল হাইওয়ে গুলি নিয়ে একটা নকশা বানাতে পারে। এই পরিকল্পনা বাণিজ্যিক ভাবে সফল হওয়ার জন্য এনএইচএআই অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে তদারকি করতে পারে এবং সরকার ও সেই বিষয় নিয়ে তাদের সাহায্য করতে প্রস্তুত।

সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর তারা এই সকল রাস্তা বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।রাস্তা সাড়াই ও তাঁর উন্নয়নের ক্ষেত্রে মোদী সরকার আগেই পাঁচ বছরের পরিকল্পনা করে এবং সেই উপলক্ষে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করে। তবে এই বিষয়ে এনএইচএআই এর তরফ থেকে কোন মতামত এখনই পাওয়া যায় নি।