কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবারই তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মোদী। সময় স্থির হয়েছে বিকেল ৪টে। মুখোমুখি আলোচনা হবে দু’জনের।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে সময়ের কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন স্কিম নিয়ে কথা বলতেই দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে রাজনৈতিকমহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। যদিও নবান্ন সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের একাধিক বিষয়ে আলোচনা করার জন্যে এই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর। শুধু তাই নয়, এই বৈঠকে একাধিক দাবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেই বৈঠক করা নয়, দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বিরোধী দলের একাধিক নেতার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে কার কার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হতে পারে তা এখনও খোলসা করে কিছুই জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা একাধিক বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি সেই সমস্ত বৈঠকে কোনও প্রতিনিধি পর্যন্ত পাঠাননি। সেখানে দাঁড়িয়ে হঠাত করে কেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের প্রয়োজন পড়ল তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা।

একাংশের দাবি, যখন সারদা-কান্ডে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে কার্যত লুকোচুরি খেলছেন প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। তাঁর খোঁজে ইতিমধ্যে নবান্নে পৌঁছে গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এই অবস্থায় রাজীবকে বাঁচাতে নাকি প্রধানমন্ত্রী দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বলে ইতিমধ্যে দাবি করেছে বিরোধীরা। এমনকি তৃণমূল-বিজেপি সেটিংয়েরও অভিযোগ এনেছেন বিরোধীরা।

যদিও বিরোধীদের এহেন অভিযোগ কানে তুলতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল। তাঁদের পাল্টা যুক্তি, বাংলার কথা ভেবেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎে মুখ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে অন্য কোনও কারণ খোঁজা উচিৎ নয় বলেই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব