দেরাদুন : ১৮ই মে কেদারনাথ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ কেদারনাথ মন্দিরে পা রাখবেন ওই দিন৷ অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফা ভোটের আগে ভগবানের আশীর্বাদ নিতে কেদারনাথ দর্শন করবেন তিনি৷

প্রধানমন্ত্রীর কেদারনাথ দর্শনের আগে বিশেষ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে উত্তরাখণ্ড স্টেট ডিজাস্টার রিলিফ ফোর্স বা এসডিআরএফের তরফ থেকে৷ জোর দেওয়া হয়েছে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের ওপর৷ ওয়ারলেস সিস্টেমের ওপরও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে৷ বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা৷

এসডিআরএফের কমান্ডান্ট তৃপ্তি ভাট বলেন প্রধানমন্ত্রীর কেদারনাথ সফর ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে৷ টহলদারি চলছে৷ মন্দির চত্ত্বর মুড়ে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়৷

এদিকে, চার ধাম যাত্রার সূচনাকালে খুলে দেওয়া হয় কেদারনাথ মন্দিরের দরজা৷ সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কেদারনাথ মন্দিরের দরজা দর্শানার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়৷ বন্ধ দরজার এদিকে অপেক্ষা করছিলেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী৷ দরজা খুলতেই লাইন দিয়ে বিগ্রহ দর্শন করেন তাঁরা৷

ছয় মাস পরে কেদারনাথ মন্দিরের দরজা খুলে যায়৷ গোটা মন্দিরকে ফুল ও আলোর মালায় সাজানো হয়৷ অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে গঙ্গোত্রী মন্দিরের দরজা খোলা হয়৷ সকাল সাড়ে এগারোটায় খুলে যায় গঙ্গোত্রী৷ সেদিনই যমুনোত্রীর দ্বার খুলে দেওয়া হয় ১টা ১৫ মিনিটে৷ সেখানেও অপেক্ষা করছিলেন সহস্রাধিক পুণ্যার্থী৷ প্রশাসন মনে করছে লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে এই চার ধাম যাত্রায়৷

তবে বদ্রীনাথ খোলে ১০ই মে৷ প্রতিবছর অক্টোবর – নভেম্বর মাসে ভারি তুষারপাতের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় এই পবিত্র তীর্থস্থানগুলি৷ ফের এপ্রিল মে মাসে যাত্রী ও পুণ্যার্থীদের জন্য তীর্থস্থানের দ্বার খোলা হয়৷

গতবছরই অসময়ের ভারি তুষারপাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরাখণ্ড৷ কেদারনাথ-বদ্রীনাথ-হেমকুন্ড সাহেব-সহ উত্তরাখণ্ডের উঁচু এলাকাগুলিতে তুষারপাত শুরু হয়। এর ফলে কেদার এবং বদ্রীতে আটকে পড়েন অসংখ্য তীর্থযাত্রী। এই ঘটনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়। বহু তীর্থযাত্রী আটকে পড়েন। যোশি মঠের কাছে ধসে রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়৷ আবহাওয়া পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এই রাস্তাতেও যাত্রা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় স্থানীয় প্রশাসন।