স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: দিল্লির পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন বহরমপুরের সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী৷ তিনি বললেন, ট্রাম্পকে খুশি করার জন্য সভা না করে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সভা ডাকুন প্রধানমন্ত্রী৷

দিল্লির সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ১৪৪ ধারা, কার্ফু জারি করেও দিল্লিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই এই সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। প্রায় ২০০ মানুষ আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পাশাপাশি দিল্লি বিধানসভায় এক ভাষণে কেজরিওয়াল দিল্লিবাসীর কাছে শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ”দাঙ্গায় হিন্দু বা মুসলমান, কেউই লাভবান হয় না”। একইসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মী ও বহিরাগতরা শহরে অশান্তি সৃষ্টি করেছে।।

ফাইল ছবি

দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। দিল্লির সংঘর্ষের জন্য বিজেপিকেই দায়ী করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, ‘‘এই সংঘর্ষের পিছনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে। দিল্লির ভোটের সময় দেশবাসী সেটা দেখেছে। অনেক বিজেপি নেতা উস্কানিমূলক মন্তব্য করে ভয় ও হিংসার পরিবেশ তৈরি করেছে। এমনকি, গত রবিবারও এক বিজেপি নেতা একই রকম মন্তব্য করেছেন।’’

নেত্রীর সুরেই অমিত শাহকে একহাত নিয়েছেন অধীর৷ তিনি বলেন, ‘‘দিল্লি দেশের গৃহমন্ত্রীর নিজের এলাকা৷ এটা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল৷ এখানকার আইন-শৃঙ্খলা দেখার দায়িত্ব পুরোপুরি কেন্দ্রের৷ কিন্তু পাঁচদিন ধরে দিল্লি জ্বলছে৷ এই ব্যর্থতার দায় দেশের বাহুবলী সরকারের৷ অবাক হচ্ছি এটা দেখে যে, গণ্ডগোল থামানোর জন্য গৃহমন্ত্রীর এত অনীহা৷’’ অধীর বলেন, ‘‘ট্রাম্পকে খুশি করার জন্য সভা না করে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সভা ডাকুন প্রধানমন্ত্রী৷ তাতে বেশি লাভ হবে৷’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ