লখনউঃ  মঙ্গলবার অমিত শাহের রোড শো থেকে হামলা চলে বিদ্যাসাগর কলেজে। ভেঙে যায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি। এরপরের দিন অর্থাৎ বুধবার বাংলায় ভোট প্রচারে এসে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর ঠিক কয়েক ঘন্টা পর সাংবাদিক সম্মেলন থেকে কার্যত বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। সরাসরি এই ঘটনার জন্যে অমিত শাহের উপর দোষ চাপান। শুধু তাই নয়, বাংলায় ভোট প্রচারে এসেও মূর্তি ভাঙা নিয়ে কোনও দুঃখপ্রকাশ না করায় কার্যত হতভম্ব হন তৃণমূল নেত্রী।

এরপর আজ বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশ থেকে মমতাকে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বার্তা, বিদ্যাসাগরের পঞ্চধাতুর মূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে তৃণমূলকে কড়া জবাব দেবে বিজেপি। বিদ্যাসাগর কলেজের একই জায়গায় ওই মূর্তি বানানো হবে বলে এ দিন দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী। উত্তরপ্রদেশের ভোট প্রচারে গিয়ে কার্যত মমতার বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন মোদী।

 

তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন, উনি (মমতা) তাঁকে (মোদী) প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মানেন না। তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, হিন্দুস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে না মানলেও, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অরাজকতা চলছে বলেও অভিযোগ করেন মোদী। তাঁর দাবি, মমতার জমানাতে দুষ্কৃতীরাজ চলছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঠাকুরনগর, কোচবিহারে তৃণমূলের গুন্ডারা হামলা চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে ফের একবার তৃণমূলকেই দায়ি করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর প্রতিশ্রুতি, তাদের সরকার যথা স্থানেই পঞ্চধাতুর মূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। তৃণমূলকে এভাবেই কড়া জবাব দেবেন বলে দাবি করেন তিনি। মোদী আশঙ্কা করে বলেন, “আজ দমদমে জনসভা রয়েছে। দেখা যাক দিদি সে র‍্যালি করতে দেন কি না!”