নয়াদিল্লি : করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার বিকেল চারটেয় বৈঠকে বসছেন তিনি। দেশ জুড়ে বিভিন্ন রাজ্যের দলীয় সদর দফতরের প্রধানদের নিয়ে বৈঠক হবে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাজ্যে দলীয় কর্মীরা কীভাবে কাজ করছেন, ত্রাণ মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে কীনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

নমো অ্যাপ ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এই বৈঠকের সম্প্রচার হবে। বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি সভাপতিদের বিশেষ বার্তা দিতে পারেন মোদী। দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ জৈন শুক্রবার এই তথ্য দেন। দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতারাও এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন বলে খবর।

প্রতিটি রাজ্যে বিজেপি কর্মীরা কীভাবে কাজ করছে, তার বিবরণ মোদীর সামনে তুলে ধরবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতিরা। কোথায় কাজের গতি বাড়তে হবে, সে বিষয়েও মতামত দেবেন মোদী বলে খবর।

এদিকে, শুক্রবার সকালে হঠাত করেই লাদাখে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সীমান্তে এখন প্রতি মুহূর্তে চাপা টেনশন, কড়া নজরদারি। এই পরিস্থিতিতে জওয়ানদের মনোবল আরও চাঙ্গা করতে লাদাখ পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী। কথা বলেন সেনা-আধিকারিক, জওয়ানদের সঙ্গে। আর তাতেই ঘুম ছুটেছে চিনের। লাদাখে মোদী পা রাখার পর থেকে একের পর এক বিবৃতি বেজিংয়ের তরফে। কখনও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর দাবি। আবার কখনও হুমকি।

সীমান্তে দাঁড়িয়েই চিনকে কড়া বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন ‘গালওয়ান আমাদের’। লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর মনোবল বাড়াতে শুক্রবার ভোরেই লাদাখে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লেহ থেকে সেনার চপারে করে নিমুতে ফরোয়ার্ড পোস্টে পৌঁছন মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সীমান্তে মোতায়েন সেনার মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ