নয়াদিল্লি : ৭৩ তম মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতি মাসের শেষ রবিবার সাধারণের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে বিশেষ ইস্যুকেন্দ্রিক বার্তা উঠে আসে, আবার থাকে দেশের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণের প্রতি বার্তা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নানা সদর্থক ঘটনাবলী তুলে ধরে মোদী নিজের বেতার সম্প্রচার অনুষ্ঠান মন কি বাতে।

এর আগের মন কি বাতের সংস্করণে মোদীর বক্তব্যে ছিল বাজেট অধিবেশনের উল্লেখ। কারণ তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানের একদিন পরেই বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এছাড়াও এদিন তাঁর বক্তব্যে বিশেষ জায়গা করে নেয় ২৬শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে হওয়া হিংসার ঘটনা। গোটা ঘটনার নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এক ট্যুইট বার্তায় মোদী জানান, অল ইন্ডিয়া রেডিওতে এই অনুষ্ঠান হিন্দিতে সম্প্রচার করার পরেই আকাশবাণী প্রতিটি আলাদা আলাদা স্থানীয় ভাষায় সেটির অনুবাদ করে সম্প্রচার করবে। হিন্দি সম্প্রচার শোনা যাবে অল ইন্ডিয়া রেডিও, দূরদর্শন ও নরেন্দ্র মোদীর মোবাইল অ্যাপে।

এদিকে, ঘোষণা করা হয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট। সেদিকে নজর রেখে করোনা আবহে ভোট নিয়ে বার্তা দিতে পারেন মোদী। আর কয়েকদিন পরেই রয়েছে চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচন। এগুলির মধ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপির দখলে রয়েছে অসম। অন্যদিকে রীতিমতো সিরিয়াস এই রাজনৈতিক দলটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ব্যাপারে। এবারের মন কি বাত অনুষ্ঠানে নজর থাকবে সেদিকেও।

মন কি বাত অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি প্রেরণাদায়ক কিছু বার্তা চান বলে ট্যুইট করেছিলেন মোদী। তিনি বলেছিলেন সারা দেশের মানুষ যোগ দিক তাঁর অনুষ্ঠানে। তিনি সবার বক্তব্য শুনতে চান। এরই সাথে রাজধানী জুড়ে চলা কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন মোদী। তিনি বলেছিলেন নতুন কৃষি আইন ভারতীয় কৃষকদের জন্য একটি সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে।” মোদী জানান, কয়েক বছর ধরে কৃষকরা যে দাবিগুলি করে আসছিল, তা শেষ পর্যন্ত পূরণ হয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই আইনকে কৃষকদের ভালোর জন্য বললেও রাজধানীতে কৃষকদের অবস্থান মোটেই সেকথা জানাচ্ছে না। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের জেরে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত লাগবে, এই আশঙ্কা থেকেই কয়েকমাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দেশের একাধিক রাজ্যের কৃষক-সমাজ। বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।