কলকাতা: শিল্পপতি নীরব মোদী, মেহুল চোকসি, বিজয় মালিয়ারা ব্যাঙ্ক জালিয়াতি ও আত্মগোপনের পথ নিয়েছেন৷ সারা দেশে আলোড়ন পড়েছে – হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি করে কোথায় গেলেন এই শিল্পপতিরা? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে এই তিন শিল্পপতির আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে বিদ্ধ করেছেন বিরোধীরা৷

বিজেপির নেতারা, বিশেষ করে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি শিল্পপতিদের টাকা চুরি করে দেশ থেকে পালানোর নানা সাফাই দিয়েছেন৷ ইতিমধ্যেই তদন্তও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ তবে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিরোধী কংগ্রেসকে এই ইস্যুতে পালটা আক্রমণ করেছেন৷

ফাইল ছবি

নীরব মোদী, মেহুল চোকসি, বিজয় মালিয়ার নাম না করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘দেশ থেকে ওদের পালাতেই হয়েছে৷ কংগ্রেসের সরকার থাকলে বহাল তবিয়তে বসেই থাকতো৷ পালাতো হতনা৷ কিন্তু জেনে রাখবেন, ওদের (অভিযুক্ত শিল্পপতিদের) ফিরে আসতেই হবে৷’’

প্রশ্নকর্ত্রীকে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কিছু আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে৷ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন দিকে চেষ্টা চলছে৷ দরকার হলে বিদেশে ওদের সম্পত্তি বাজেয়প্ত করা হবে৷ কিন্তু ওদের দেশে ফেরত আনা হবেই৷’’

ফাইল ছবি৷

প্রধানমন্ত্রী জানান, জীবনে প্রথম জি-২০ বৈঠকে গিয়ে তিনি কালোধন প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছিলেন৷ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের কথা হয়েছে৷ এবার আর্থিক মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ‘রিয়েল টাইম’তথ্য পাবে ভারত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.