নয়াদিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে তাঁকে নিয়ে৷ নেটিজেনদের নানা ট্রোলের শিকার হয়েছেন তিনি৷ কেদারনাথের গুহায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ধ্যানমগ্ন ছবিতে একের পর এক কমেন্ট, নির্বাচনী সপ্তমীর আগের দিন অনেকটাই লাইম লাইটে এনে দিয়েছে মোদীকে৷

তবে কেদারনাথ থেকে বদ্রীনাথ যাওয়ার পথে তাঁর সরল স্বীকারোক্তি ভগবানের কাছে নাকি তিনি কিছুই চাননি৷ রবিবার কেদারনাথে ভোরের প্রার্থনায় অংশ নেন তিনি৷ নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদও জানান৷ কারণ তাঁকে এই পুণ্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কমিশন৷

মোদী বলেন শনিবার থেকে কেদারনাথে রয়েছি৷ বহুদিন পর এই দুদিন শুধু নিজের সঙ্গে সময় কাটালাম৷ সাংবাদিকদের মোদী বলেন ভগবানের থেকে কিচ্ছু চাননি তিনি৷ কিন্তু প্রার্থনায় অংশ নিয়ে মন ভরে গিয়েছে তাঁর৷ শুধু সমাজের ও দেশের উন্নতিতে যাতে তিনি সবসময় সক্রিয় থাকতে পারেন, সেই ধন্যবাদ দিয়েছেন তিনি৷

শনিবার সকালে দেরাদুন হয়ে কেদারনাথে যান মোদী৷ ভোরের প্রার্থনায় অংশ নেন৷ ঘুরে দেখেন কেদারনাথ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকার উন্নয়নকাজও ঘুরে দেখেন৷ পরে রবিবার বিকেলেই তাঁর বদ্রীনাথ পৌঁছনোর কথা৷ সেখান থেকে দিল্লি ফিরে যাবেন তিনি৷

এই নিয়ে চতুর্থবার কেদারনাথ বদ্রীনাথ দর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী৷ এদিকে নির্বাচনের মধ্যে তাঁর এই কেদারনাথ দর্শন নিয়ে আপত্তি তুলেছে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস৷ কেদারনাথ ও বদ্রীনাথে গিয়ে আদর্শ আচণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মোদী৷ ইতিমধ্যেই কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল৷ চুপ করে বসে নেই কংগ্রেসও৷ প্রদেশ কংগ্রেসের তরফেও কমিশনে চিঠি দিয়ে একই অভিযোগ আনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে৷ দ্রুত পদক্ষেপরও দাবি তোলা হয়েছে৷

তৃণমূলের অভিযোগ, কেদারনাথ-বদ্রীনাথ যাত্রা করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে গেরুয়া দলের ‘পোস্টার বয়’৷ তৃণমূল মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন কমিশনকে চিঠিতে লেখেন, ‘‘শেষ দফার ভোটের প্রচার গত ১৭ মে সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়ে গেলেও, গত দু’দিন ধরে সর্বভারতীয় ও স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কেদারনাথ যাত্রার ঢালাও প্রচার হচ্ছে। এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এটা বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।’’