নয়াদিল্লি: দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরে বিশেষভাবে স্বাস্থ্য প্রকল্পের উপর জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিন মাসের মধ্যেই স্বাস্থ্য প্রকল্পের বাস্তাবায়নের পথে হাঁটা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী৷ শুক্রবার মোদী জানান, স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য সারা দেশে ১২,৫০০ ‘আয়ুষ’ সেন্টার তৈরি করা হবে।

এদিন যোগা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য প্রকল্পের এই সেন্টার গুলির প্রধান লক্ষ্য হবে প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য-সচেতনতা বৃদ্ধি করা৷ পাশাপাশি তাদের ঠিক করে দেওয়া খাদ্যভ্যাস ও জীবনধারা সকলেরই মেনে চলা উচিত বলেও মনে করেন মোদী৷

সারা দেশে স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য যে ১২, ৫০০ আয়ুষ সেন্টার তৈরি করা হবে, তার মধ্যে ৪,০০০ টি হবে চলতি বছরের মধ্যেই৷ এদিন হরিয়ানাতে ১০টি আয়ুষ সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সরকার আয়ুষ সেন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মানুষের স্বাস্থ্য প্রকল্পে নতুন কি কি সুবিধা দেওয়া যায়, সেই বিষয়েও খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান মোদী৷

স্বাস্থ্য সচেতনতার ক্ষেত্রে ভারতের ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে যোগা ও আয়ুর্বেদকে স্বাস্থ্য প্রকল্পের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ভাবনা রয়েছে মোদী সরকারের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.