নয়াদিল্লি: ভগবান যীশুখ্রিস্টকে স্মরণ করে সকলকে গুড ফ্রাইডের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মনে করিয়েছেন অন্যের জন্য ভগবান যীশুখ্রিস্টের ত্যাগের কথা।

শুক্রবার সকালে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, “ভগবান যীশুখ্রিস্ট অন্যদের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর সাহস, ন্যায়পরায়ণতা যেমন উল্লেখযোগ্য তেমনই তাঁর ন্যায়বিচার”। ভগবান যীশুখ্রিস্টের সত্য এবং ন্যায়ের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার সকলের মনে রাখা উচিত বলেই জানিয়েছেন মোদী।

অন্যান্য রাজনীতিবিদরাও এই দিনটিতে মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। গুড ফ্রাইডে যীশুখ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধকরণের দিনটিকে স্মরণ করায়। খ্রিস্টের ক্রুশের উপরে মানুষের পাপের জন্য যে যন্ত্রণা সহ্য হয়েছিল, সেই দেশগুলির খ্রিস্টানরা সেই দিনটি পালন করে। এই বছর, দেশব্যাপী লকডাউনের মধ্যে লোকেরা ঘরে বসে এবং গির্জার কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা কোনও ধরণের জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করে।

এদিন কংগ্রেসও এই দিনটির শুভেচ্ছায় মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করে জানিয়েছে, “আজ আমরা কঠিন সময়ে রয়েছি। প্রভু খ্রিস্টের ভালোবাসা, ক্ষমা ও সহমর্মিতার শিক্ষাগুলি সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। বাইবেল অনুসারে, যীশুকে ক্রুশে বিদ্ধ করা হয়েছিল। কেবল ৩০টি রুপোর মুদ্রার বিনিময়ে তাঁর ১২ জন শিষ্য জুডাস ইস্কারিওটের একজন তাকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। যীশু নিজেকে ‘ঈশ্বরের পুত্র’ বলে অভিহিত করার কারণে তাঁকে নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল। সুতরাং, যিশুর ক্রুশবিদ্ধকরণ খ্রিস্টানদের জন্য শোকের দিন।

যীশুখ্রিষ্টের ক্রুসবিদ্ধকরণ, মৃত্যু ও সমাধিমন্দির থেকে তাঁর পুনরুজ্জীবনের স্মরণে এই দিনটি পালিত হয়। পশ্চিম ইউরোপের চার্চগুলি এখন এই দিনটি ঠিক করে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মেনে। অন্যদিকে পূর্ব ইউরোপের একটা অংশে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার মেনে চলা হয়। দিনটা আলাদা হলেও এই পরবের নিয়ম-কানুন একই থাকে বিশ্বজুড়ে। তবে করোনার থাবার ইস্টার থেকে গুড ফ্রাইডে। সবেতেই ঘরবন্দি মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।