ফাইল ছবি৷

বিশকেক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে ভারত৷ লড়াই করছে অন্য দেশগুলিও৷ কিন্তু সবার লড়াই পৃথক৷ এখন সব দেশ যদি একজোট হয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, একে অপরকে সহযোগিতা করে তাহলে সেই লড়াই হবে অনেক সহজ৷ সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রয়োজনীতা ও তাগিদের কথা তুলে ধরলেন নরেন্দ্র মোদী৷ সেই সঙ্গে আর্ন্তজাতিক এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে নাম না করে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার জন্য তোপ দাগেন তিনি৷

কিরঘিজস্থানের বিশকেকে বসেছে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলন৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও সেখানে উপস্থিত৷ তবে মোদী-ইমরানের সাক্ষাতের কোনও কর্মসূচি নেই৷ কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ভারতের শর্ত একটাই৷ আগে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে তারপর আলোচনা৷ সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না৷ এসওসি সম্মেলনের মোদীর ভাষণে গুরুত্ব পায় সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গ৷ মোদী বলেন, যে সব দেশ সন্ত্রাসে মদত যোগায়, তাদের সাহায্য করে, অর্থের যোগান দেয় সেই দেশগুলিকে এর দায়ভার নিতেই হবে৷ ভারত সবসময় সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার পক্ষে৷

কিরঘিজস্থান যাওয়ার আগে মোদী শ্রীলঙ্কা সফরে যান৷ সেই কথাও ভাষণে উল্লেখ করেন৷ বলেন, ‘‘শেষ রবিবার আমি শ্রীলঙ্কা যাই৷ সেন্ট অ্যান্থনি চার্চে যাই৷ যে চার্চে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়৷ সন্ত্রাসের সেই ভয়াবহ রূপ সামনে থেকে অনুভব করেছি৷’’ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কেন একজোট হয়ে লড়াই করা দরকার তা বোঝাতে শ্রীলঙ্কা জঙ্গি হামলার কথা তুলে ধরেন৷ এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলেন৷ সম্মেলেনর ফাঁকে মোদীর সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডঃ হাসান রোহানির আলাদা করে বৈঠক হওয়ার কথা৷ এছাড়া চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং এর সঙ্গে একান্তে আলোচনা সারবেন মোদী৷