নয়াদিল্লি: বিশ্বের নির্বাচিত নেতাদের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওমাবাকে টপকে ইনস্টাগ্রামে এক নম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

ইনস্টাগ্রামে নরেন্দ্র মোদির ফলোয়ার্স সংখ্যা ৩০ মিলিয়ন, ২৫.৬ মিলিয়ন ফলোয়ার্স থাকা জোকো উইডোডো রয়েছেন দ্বিতীয়স্থানে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার রয়েছে ২৪.৮ মিলিয়ন ফলোয়ার্স, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফলোয়ার্স সংখ্যা ১৪.৯ মিলিয়ন। ইনস্টাগ্রামে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ফলোয়ার্স থাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা।

প্রধানমন্ত্রী মোদির ফলোয়ার্স সংখ্যার খতিয়ান দিয়ে জেপি নাড্ডা ট্যুইট করে বলেন, “ইনস্টাগ্রামে ৩০ মিলিয়নের বেশী ফলোয়ার্স প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে এগিয়ে তিনি। এটাও তাঁর জনপ্রিয়তা এবং যুব সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ।”

একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার বিষয়টি নজর কেড়েছে সকলের। যে সমস্ত অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত থাকেন, তার বিভিন্ন সময়ের ছবি শেয়ার করটে দেখা গিয়েছে তাঁকে। চলতি সপ্তাহে তামিলনাড়ুর মাল্লাপুরমে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে তাঁর অনআনুষ্ঠানিক বৈঠকের ছবিটি ইনস্টাগ্রামে খুবই জনপ্রিয়, এছাড়াও সেপ্টেম্বরে টেক্সাসে “হাউডি মোদি” অনুষ্ঠানের তাঁর যোগদান, বিজেপি সাংসদ সত্যনারায়ণ জাটিয়ার নাতনির সঙ্গে তাঁর খেলার ছবিও খুবই জনপ্রিয়। মাল্লাপুরমে তাঁর জঞ্জাল সাফাইয়ের ছবিটি প্রায় মিলিয়ন সংখ্যক মানুষ লাইক করেছে। ব্যাডমিন্টন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতার পর, পিভি সিন্ধুর সঙ্গে তাঁর ছবিও চার মিলিয়ন লাইক কুড়িয়েছে, যা খুব স্বাভাবিকভাবেই খুব জনপ্রিয় একটি ছবি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুব কাছেই রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডেউ, তাঁর ফলোয়ার্স সংখ্যা ৩ মিলিয়ন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রো, এবং জার্মান চান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, তাঁর রয়েছে ২২২৭,০০০ ফলোয়ার্স। ট্যুইটারেও খুবই জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী, সেখানে তার ফলোয়ার্স ৫০ মিলিয়ন।