ঢাকা: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হচ্ছে দেশজুড়ে। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের ঘোষণা করেছিল এমন একটি ভূখণ্ড- বাংলাদেশ। সেই রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের পর জন্ম নেওয়া দেশের ৫০ বছর পূর্তি। স্বাধীনতা লড়াইয়ে বন্ধু ভারত। প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাই বিশেষ অতিথি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর তৈরি করবে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিশা। এমনই আশা দুই দেশের কূটনীতিক মহলে। মোদীর সফর উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে রাজধানী ঢাকা।

সফরের মাঝে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যাবেন সাতক্ষীরার ঈশ্বরীপুরে। সেখানে মতুয়া সমাজের ধর্মগুরুর পৈত্রিক ভিটে দর্শন করবেন। সফরে থাকছে ঐতিহাসিক যশোরেশ্বরী কালী মন্দির দর্শন। মোদীর এই সফর উপলক্ষে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর জেলার সড়ক ও মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি অভিযান র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বাহিনি। চলছে চিরুনি তল্লাশি।
সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

র‍্যাব বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাতক্ষীরা জেলা সফর উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে র‌্যাব-৬ মহড়া, টহল, তল্লাশি এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে ব্যক্তি শনাক্তকরণসহ বহুমুখী নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।’

মোদীর সফরের প্রতিবাদে কিছু ছাত্র সংগঠন ও ধর্মীয় সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে বারে বারে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। বিক্ষোভকারী ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সরকারে থাকা আওয়ামী লীগের ছাত্র শাখার সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়। এছাড়া উগ্র ধর্মীয় বক্তব্য দিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য আটক করা হয় কয়েকজন কে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জালিয়েছেন, অতিথি মোদীর সফরের জন্য যাবতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাবেন। এরপর তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.