নয়াদিল্লি : ধুমধাম করে রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান হল। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই অনুষ্ঠানের সম্প্রচার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, নেপালের মত বেশ কিছু দেশে এই অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার করা হয়।

দুরদর্শন একাধিক ক্যামেরায় এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। ছিল একাধিক ডিএসএনজি বা ডিজিটাল স্যাটেলাইট নিউজ গ্যাদারিং ও ওবি ভ্যান।

এছাড়াও ইউটিউবে সম্প্রচার করা হয় অনুষ্ঠানের। দুরদর্শনের রিপোর্ট বলছে বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন প্রান্তে এই অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হলেও বেশ কয়েকটি দেশে এর দর্শক ছিল সবচেয়ে বেশি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমীরশাহী, ওমান, কুয়েত, নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনস, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসে দর্শক সবচেয়ে বেশি ছিল এই অনুষ্ঠানের।

ভারতে প্রায় ২০০টি চ্যানেল এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। দুরদর্শনের সিগন্যাল সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের মাধ্যমে সরবরাহ ও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। দুরদর্শন ও ডিডি নিউজ পৃথক ভাবে এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলিতে সম্প্রচার করে ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে রামমন্দিরের। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের অবসান ঘটেছে। তৈরি হয়েছে নয়া এক যুগের।

গোটা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে ভূমিপুজো করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পুজোয় উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন মোহন ভগবত। এছাড়াও ছিলেন সাধু-সন্তরা। গনেশ পুজো দিয়ে শুরু হয় ভূমিপুজো। গত ৫ই অগাষ্ট বুধবার মাত্র ৩২ সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী হয় পূন্য লগ্ন।

১২ টা ৪৪ মিনিট ৮ সেকেন্ড থেকে ১২ টা ৪৪ মিনিট ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত সেই মহরত স্থায়ী থাকবে আগেই জানানো হয়েছিল। ঘড়ির কাঁটা দেখে ঠিক ১২ টা ৪৪ মিনিটে শুরু হয় বিশেষ পুজো। শুভ সময় শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয় পুজো। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী সোজা চলে যান মূল মঞ্চে।

নির্ধারিত সময়ে অযোধ্যায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সোজা চলে যান হনুমান-গড়িতে। সেখানে আরতি করেন। এরপর সেখান থেকে চলে যান রামলালার অস্থায়ী মন্দিরে। গোটা এই কর্মসূচি দেখানো হয় দূরদর্শনে। যদিও তা দেখানো নিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম হয়।

কেন দেখানো হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কংগ্রেস। যদিও পালটা বিজেপি তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেওবন্দে ইন্দারী গান্ধীর সম্পূর্ণ ভাষণ দূরদর্শনে দেখানো হয়। তা কেন সেই সময় দেখানো হল তা নিয়ে পালটা তোপ দাগে বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.