নয়াদিল্লি : কেন্দ্রের লক্ষ্য নারী স্বনির্ভরতা প্রকল্পে গুরুত্ব আরোপ করা। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সরকার। কারণ প্রতিটি নারী মা দুর্গার অংশ। কলকাতায় পুজো উদ্বোধন করে এক ভিডিও কলের মাধ্যমে এই বার্তাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন তিনি বলেন ভারতের ইতিহাস খুললেই বাংলার অবদানের ছবি সবার আগে চোখে পড়ে। দেশকে একের পর এক উপহার দিয়েছে এই মাটি। স্বাধীনতা সংগ্রামী, লেখক, কবি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রের মণীষীরা জন্ম নিয়েছেন বাংলার বুকে। দেশ যখনই বিপদে পড়েছে, বাংলা তাকে পথ দেখিয়েছে, ইতিহাস তার সাক্ষী। মোদী বলেন মহাষষ্ঠীর শুভলগ্নে প্রত্যেক বাঙালিকে তিনি শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

দুর্গাপুজো ভারতের একাত্মতা ও অন্তরের শক্তির প্রতীক। যেভাবে মানুষ সংযত থেকে পুজোর আনন্দ উপভোগ করছেন, তা শিক্ষণীয়। এটাই বাংলার বিবেক, আত্মা। উৎসবে মাততে হলে দু গজের দূরত্ব বজায় রেখে চলুন।

এদিন মোদীর বার্তা ‘‘উৎসবের এই উচ্ছ্বাস ও আবেগ বাংলার পরিচয়। বাংলার পবিত্রভূমিকে প্রণাম জানাচ্ছি। সবাইকে দুর্গাপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাই।’’ ষষ্ঠীর সকালে সল্টলেকের EZCC-এর দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেন মোদী। ভার্চুয়ালি পুজোর উদ্বোধন সেরে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত স্বয়ং প্রধনমন্ত্রীও।

এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ভার্চুয়লি পুজোর উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বাংলার পবিত্রভূমিকে প্রণাম জানাই। উৎসবের এই উচ্ছ্বাস ও আবেগ বাংলার পরিচয়।’’

এই প্রথম বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসবে সরাসরি শরিক হলেন মোদী। ভার্চুয়ালি এদিন পুজোর উদ্বোধন সারেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার মহা পঞ্চমীতে ট্যুইট করে সমস্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে মহাষষ্ঠীর শুভেচ্ছা জানান তিনি।

এদিন তিনি লেখেন বাঙালির প্রিয় দুর্গোৎসবের মহাষষ্ঠী। দুর্গাপুজো অশুভের পরাজয় ও শুভের বিজয়ের এক পবিত্র উৎসব। ষষ্ঠীর দিন তিনি রাজ্যের সব ভাই বোনেদের শুভেচ্ছা জানাবেন বলে বার্তা দেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান মহাষষ্ঠীর দিন ঠিক দুপুর ১২টায় বাংলার প্রত্যেক মানুষের সাথে পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেবেন তিনি। প্রত্যেক মানুষ যেন তাঁর সঙ্গে থাকেন।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোকেই টার্গেট করেছে গেরুয়া শিবির। আম বাঙালির মন পেতে মহাষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।