কলকাতা: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো৷ যে পুজোয় বাঙালির আবেগ জড়িয়ে রয়েছে৷ বাঙালির এই দুর্গাপুজোয় এবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ তবে সশরীরে নয়৷ ভার্চুয়াল সমাবেশের মাধ্যমে তিঁনি দুর্গাপুজোয় যোগ দেবেন৷ এ কথা জানিয়েছেন,রাজ্য বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত কৈলাস বিজয়বর্গীয়৷

বিজয়বর্গীয় বলেছেন, ২২ অক্টোবর ষষ্ঠীর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী একটি ভার্চুয়াল সমাবেশের ডাক দিয়েছেন। করোনা সংক্রান্ত সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের কথা মাথায় রেখে হবে এই সমাবেশ। পুজোর অনুষ্ঠান ও প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ এক সঙ্গে চলবে। তার জন্য বাংলার কিছু পুজো প্যান্ডেল চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে৷

তবে যত দিন যাচ্ছে ততই এই উৎসব হিন্দুদের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য ধর্মের মানুষের কাছে সম্প্রীতির উৎসবের আকার নিচ্ছে৷ ফলে বর্তমান সময়ে বাঙালির এই শ্রেষ্ঠ উৎসব হিন্দু ছাড়াও মুসলমান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন প্রভৃতি ধর্মের মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।পাশাপাশি এই উৎসবে সামিল হন অনেক বিদেশী পর্যটক৷

বাংলার পুজো কার্নিভাল তো সারা বিশ্বের নজর কেড়ে নিয়েছে৷ যদিও করোনা আবহে এই বছর রেড রোডে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল বন্ধ রাখার সিদ্ধন্ত নিয়েছ মমতা সরকার৷ সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর বড় করে পুজো কার্নিভাল করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

অন্যদিকে আসন্ন দুর্গোৎসবে কী স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে বা কীভাবে করোনা বিধি মেনে চলা দরকার, তার নিয়ম বেঁধে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷

নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে সংক্রমণ ঠেকাতে কনটেনমেন্ট জোনের মধ্যে কোনও পুজো করা যাবে না। এছাড়াও মেলা, শোভাযাত্রা, অনুষ্ঠান করা যাবে না কনটেনমেন্ট জোনে। এই জোনের বাসিন্দারা পুজোতে বেরোতে পারবেন না। বাড়িতে বসেই পুজো দেখতে হবে তাঁদের।

কেন্দ্র জানিয়েছে ৬৫ বছরের ওপরে যাঁরা রয়েছেন, জটিল রোগগ্রস্থ কোনও ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা ও ১০ বছর বয়েসের নীচের শিশুরা বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। পুজো উদ্যোক্তাদের এই বিষয়টি নজরে রাখতে বলা হয়েছে। কোনও ভাবেই যেন তাঁদের জমায়েতের মধ্যে থাকতে দেওয়া না হয়।

এই ধরণের উৎসব পালনের ক্ষেত্রে করোনা বিধি মেনে চলতে হবে। যেমন থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা, স্যানিটাইজেশন, সামাজিক দূরত্ব মানা, ফেস মাস্ক ব্যবহার করা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।