নয়াদিল্লিঃ  দেশের ইতিহাসে সবথেকে বড় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছ পুলওয়ামাতে। ৪০ সিআরপিএফ জওয়ানকে শহিদ হতে হয়েছে। আর এই ঘটনার পর থেকেই গোটা দেশ ফুঁসছিল বদলা নেওয়ার দাবিতে। মোদী জানিয়েছিলেন খুব শীঘ্রই এই হামলার প্রত্যুত্তর দেবে ভারত। প্রত্যাঘাত যে করা হবে তা কার্যত পরিস্কার ছিল। এমনটা যে হবে সেই আশঙ্কায় ভুগছিল খোদ পাকিস্তানও।

কিন্তু কেউ কিছু টের পাওয়ার আগেই সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। শুধু ঢুকে পড়া নয়, পাক জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আঘাত হানল ভারতীয় বায়ুসেনা।

একদিকে যখন ভারতীয় বায়ুসেনার জওয়ানরা শহিদের বদলা নিতে দেশ পেরিয়েছে অন্যদিকে তখন গোটা রাত জেগে প্রহর গুণছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, অপারেশনের সময় গোটা রাত জেগে গোটা অভিযানের ওপর নজর রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, একমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং বায়ুসেনা প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে গোটা ঘটনার তদারকি করেছেন তিনি। তাঁর উপস্থিতিতেই হয়েছে সমস্ত পরিকল্পনা। সারারাত অভিযানের পুঙ্খাণুপুঙ্খ খবর নিয়েছেন মোদী। কী ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, কী ভাবেই বা চলল সমস্ত হামলা তিন মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সেই গোটা বিষয়টাই দেখভাল করছেন তিনি।

গোটা রাত ওয়াররুমেই কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সাউথ ব্লকে থেকে প্রতি মুহূর্তের আপডেট নিয়েছেন তিনি। এমনকি, হামলা শেষ হওয়ার পরেও ঘটনার বিবরন সেনাবাহিনীর আধিকারিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যখন মোদী জানতে পারেন সমস্ত পাইলটরা সুরক্ষিত ভাবে দেশে ফিরে এসেছে সেই সময় কিছুটা আশ্বাস্ত হন তিনি। এখানেই শেষ নয়,পুরো মিশন শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ মাত্র বিশ্রাম নেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দ্রুত রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পুরো বিষয়টি জানান রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং উপ-রাষ্ট্রপতি নাইডুকে।

এরপর ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী।