কলকাতা : করোনার করাল থাবা দেশকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে প্রতিষেধকের হাহাকার। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের আমলাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক শুরু হয়েছে। বারাণসী থেকে নরেন্দ্র মোদী ভার্চুয়ালি এই বৈঠক করছেন। হাসপাতালে বেড বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এরই মধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। ফলে সংক্রমণ আগুনের মতো ছড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মাস্ক না পরে ও করোনা বিধি না মেনেই বহু মানুষ রাজনৈতিক জমায়েত করেছেন। এরই মধ্যে রাজ্যের ও দেশের নেতা-মন্ত্রীরা রাজ্যে নির্বাচনী সভা করেছেন সবরকম বিধিনিষেধ এক প্রকার না মেনেই। ফলে ২০২০-র মতো আরও একবার দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াল এবং উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে । ২০২০ থেকেও ২০২১-এর করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গতবার গোটা দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছিল। এবারও সবাই একসঙ্গে চেষ্টা করলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো সম্ভব বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এবার সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার বারাণসী থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে সমীক্ষা বৈঠক সেরেছেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ভ্যাকসিন, অক্সিজেনন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থায় যাতে ত্রুটি না থাকে সেই বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সরকারে তরফে টেস্ট, ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট-এর উপরও জোর দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। যেভাবে মৃত্যুর হার বাড়ছে সারা দেশে তাতে কেন্দ্রের তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে টেস্টিং ও ট্রেসিং-এ জোর দিলে মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । এদিন নরেন্দ্র মোদী উচ্চপদস্থ সরকারী কর্তাদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, স্থানীয় স্তরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যেন মানুষের প্রতি আরও সংবেদনশীল হন। এমনকী সম্ভব হলে বিভিন্ন হাসপাতালে কোভিড রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । রবিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, কোনওভাবেই এই পরিস্থিতিতে ওষুধ, ভেন্টিলেটর, অক্সেজেন সিলিন্ডারের ঘাটতি হওয়া চলবে না। রেমডেসিবির ও অন্যান্য ওষুধের জোগান কেমন, তারও খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। টিকার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য টিকা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্জিও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, টিকার উৎপাদন বাড়াতে সরকারের তরফে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ক্যাবিনেট সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সহায়ক, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব, নীতি আয়োগের সদস্যরা এই বৈঠক ছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.