নয়াদিল্লি: করোনা অতিমারীর পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর। প্রতিবেশী বাংলাদেশে দু’দিনের সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাতে পুরোদমে তৈরি বাংলাদেশ। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গোটা রাজপথ ঢেকেছে মোদী-হাসিনার ছবি-ব্যানারে। দু’দিনের এই বাংলাদেশ সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। শুক্রবারই ঢাকায় পৌঁছে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে মোদীর সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন নমো।

করোনাকালে এই প্রথম বিদেশ সফর মোদীর। অতিমারী ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিদেশ সফর বন্ধ রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে নতুন বছরের শুরুতে করেনাার টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে যাওয়ার পর তৎপরতা বাড়িয়েছেন মোদী। দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই রাজ্যগুলিতে নিয়মিতভাবে প্রচারে যাচ্ছেন মোদী।

এই আবহেই এবার প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর। নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাত তৈরি বাংলাদেশ। সবসময়ই পড়শি দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার কথা বলেন মোদী। যদিও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখনও মসৃণ হয়নি। চিনের সঙ্গেও মধুর সম্পর্ক এখন অতীত। তবে কূটনৈতিকস্তরে এই দুই দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক ভালো রাখার প্রয়াস জারি রয়েছে।

গত বছর বিশ্বজুড়ে করোনার হামলা বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই আর বিদেশ সফর করেননি নমো। ১৫ মাস পর এবার ফের বিদেশ সফরে মোদী। নমোকে স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে বাংলাদেশ। ঢাকা শহরের রাস্তা শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর ছবি, ব্যানার, ফেস্টুনে ভরে গিয়েছে। ঢাকায় আজই জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন মোদী। আগামিকাল সকালে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা যাবেন প্রধামন্ত্রী। সেখানে একটি মন্দিরে পুজো দেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর। শনিবার বাংবাদেশের ওড়াকান্দিতে মতুয়াদের মন্দিরেও যাবেন মোদী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দু’দিনের সফরে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মোদীর। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কীভাবে আরও দৃঢ় করা যায় সেব্যাপারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, বিনিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.