নয়াদিল্লি : বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা আবহে কীভাবে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়াবার দিশা দেখান মোদী, সেদিকে নজর রয়েছে গোটা বিশ্বের। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বৈঠকে যোগ দেবেন মোদী।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তাঁর। বুধবার ট্যুইট করে এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী নিজেই। তিনি বলেন গোটা বিশ্ব করোনার সঙ্গে লড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে আর্থিক ভাবে চাঙ্গা হতে গেলে সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। সমন্বয় সাধন করে অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে সঠিক পথে চালাতে হবে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা কীভাবে তার মোকাবিলা করবেন, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

মোদী এদিন বলেন যেসব রাষ্ট্রনেতারা ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে বক্তব্য তাদের কথা শোনার জন্য আগ্রহী তিনি। দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে যে বক্তব্য রাখা হবে, বিভিন্ন দেশ সেখান থেকে আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার পথ খুঁজে পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ২৮শে জানুয়ারি বিকেল সাড়ে পাঁচটায় এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন তিনি বলে জানান মোদী।

এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের প্রায় ৪০০ জন প্রথম সারির শিল্পপতি যোগ দেবেন ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের মঞ্চে। তাঁদের সামনেই বক্তব্য রাখবেন মোদী। প্রযুক্তির ব্যবহার ও মানবিকতা একসাথে মেলবন্ধন ঘটিয়ে কীভাবে আর্থিক পরিস্থিতির বদল ঘটানো যায়, তা আলোচ্য বিষয় থাকবে। করোনা কালে বহু মানুষ নিজের চাকরি হারিয়েছেন। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। তার থেকে বেরিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রের মোদী সরকারের সামনে।

লকডাউনের কারণে বেকারত্ব বৃদ্ধি, প্রধান প্রধান শিল্পক্ষেত্রে ক্ষমতার তুলনায় কম কাজ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি চাহিদা কমে যাওয়ায় বছরের শুরু থেকেই আপামর ভারতীয়দের আয় ধাক্কা খেয়েছে। ভীষণভাবে শ্রমিক নির্ভর উৎপাদন, নির্মাণ,ব্যবসা, হোটেল ইত্যাদি ক্ষেত্রে ২০২০-২১ গোটা অর্থবর্ষে সংকোচন বিরাজ করছে।

জানানো হয়েছে করোনার কারণে চলতি অর্থবর্ষে (২০২০-২১) প্রতিটি ভারতীয়ের পকেট থেকে খোয়া গিয়েছে ১০,০০০ টাকা। কারণ জাতীয় আয়ের সাপেক্ষে মাথাপিছু বার্ষিক আয়ের অংকটা কমে যাচ্ছে প্রায় ১০,০০০ টাকা। ২০ সালে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ১.০৭ লক্ষ টাকা। সেটাই চলতি অর্থবর্ষে আনুমানিক হিসাব করে দেখা গিয়েছে মাথাপিছু বার্ষিক আয়ের অংকটা কমে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ৯৭,৮৯৯ টাকা। এবার দেখার কীভাবে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে কেন্দ্র সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।