নয়াদিল্লি : খড়্গপুর আইআইটির ৬৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার সেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি বলেন আইআইটি খড়্গপুর দেশের গর্ব। যেভাবে এই প্রতিষ্ঠান ভারতের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও বেদ উপনিষদের জ্ঞানকে কাজে লাগাচ্ছে, তা অভাবনীয়। আইআইটি খড়্গপুরের আবিষ্কার, দেশের ও দশের হিতের জন্য। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে খড়্গপুর আইআইটির তৈরি করা ৭৫টি আবিষ্কার তুলে ধরুন দেশের সামনে।

যে সার্টিফিকেট আজ এখানকার পড়ুয়ারা পাচ্ছেন, তা গোটা দেশের স্বীকৃতি। দেশ আইআইটি খড়্গপুরের কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা করে। মঙ্গলবার রবীন্দ্রনাথের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, খড়গপুর সহ দেশের সব আইআইটি নেটওয়ার্ক আরও বিস্তার লাভ করুক। তা দেশের মঙ্গলের কাজে নিয়োজিত হবে। যে ইকো সিস্টেম এই প্রতিষ্ঠানের হাতে রয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে। করোনার বিরুদ্ধে আইআইটি খড়্গপুরের তৈরি সফটওয়্যার গোটা দেশের কাজে লেগেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিজিনিয়াস টেকনোলজি হতে হবে আইআইটি-কে। কোনও ব্যর্থতায় ভেঙে পড়লে চলবে না। আইআইটিকে সফল হতে হবে, তবেই দেশের উন্নতি সম্ভব। নতুন ভারতের সূচনা হবে দেশের আইআইটিগুলির হাত ধরেই।

করোনা সংক্রমণের জন্য বিশ্বভারতীর পর এবার আইআইটি খড়্গপুরের সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেখান থেকেই বক্তব্য রাখেন তিনি। সোমবার হুগলির সাহাগঞ্জে এসেছিলেন মোদী। সেখান থেকে দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর শুভ সূচনা করেন তিনি। এর ফলে বেলুড়, বালি, উত্তরপাড়া, ডানকুনি, ব্যারাকপুর,কামারহাটি, ডানলপের মতো জায়গায় বসবাসকারী মানুষদের যাতায়াত সুবিধাজনক হবে। শুধু এটাই নয় এ ছাড়াও পূর্ব রেলের হাওড়া-বর্ধমান মেইন লাইনের যাত্রীরা কাটোয়া-হাওড়া-তারকেশ্বর শাখা এবং ডানকুনি-শিয়ালদা লাইনের যাত্রীরা সহজেই মেট্রো রেলের সুবিধা পাবেন।

সম্প্রসারিত রুটে যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে। মেট্রো সূত্রে খবর, কাজের দিনে দক্ষিণেশ্বর থেকে নিউ গড়িয়া পর্যন্ত চলবে ১৫৮টি ট্রেন। ছুটির দিনে ১৫৬টি ট্রেন চলবে। অফিসটাইমে ৭ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো। নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর রুটে শেষ মেট্রো মিলবে রাত সাড়ে ৯টায়। যাত্রাপথের কিলোমিটার বাড়লেও মেট্রোর সর্বোচ্চ ভাড়া থাকছে সেই ২৫ টাকাই থাকছে । সপ্তাহের কাজের দিনে দক্ষিণেশ্বের থেকে নিউ গড়িয়ার মধ্যে আপডাউনে ৭৯ জোড়া ট্রেন চলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।