নয়াদিল্লি: এযাবৎ মেয়েদের কোনও স্পোর্টিং ইভেন্টে সর্বোচ্চ দর্শক সমাগম ঘটেছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে। ক্যালিফোর্ণিয়ার রোস বোলে সেবার ৯০,০০০ দর্শক দেখেছিল চিনকে হারিয়ে যুক্ত্ররাষ্ট্রের খেতাব জয়। রবিবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মেলবোর্নে ভেঙে যেতে পারে সেই রেকর্ড। ইঙ্গিত অনেকটা তেমনই। ভারত-অস্ট্রেলিয়া টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের ৬০,০০০ টিকিট ইতিমধ্যেই নিঃশেষিত। এমন হাইভোল্টেজ মহারণের আগে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলকে শুভেচ্ছা জানালেন দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে নিজেদের কথোপকথনের মধ্যে দিয়ে দেশকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। শুরুটা করেছিলেন যদিও মরিসনই। এদিন টুইটারে মেগা ফাইনাল ঘিরে উত্তাপ কিছুটা বাড়িয়ে মোদীকে উদ্দেশ্য করে একটি টুইট করেন অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে মরিসন লেখেন, ‘নরেন্দ্র মোদী মেলবোর্নে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে কাল মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত। গ্যালারি ভর্তি মেলবোর্নে লড়াই দুই সেরা দলের। দুর্দান্ত একটা ম্যাচ আশা করছি। খেতাব জয়ের দিকে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়াই।’

মরিসনের টুইটের প্রতিক্রিয়ায় এরপর অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রীকে মোদী বলেন, ‘আগামিকাল মেয়েদের ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া। এর চেয়ে বড় আর কীই বা হতে পারে? ভারতের মহিলা দল ও অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলের জন্য আমার শুভেচ্ছা। সেরা দলই বাজিমাত করবে। তবে প্রতিবারের মতো মেলবোর্ন কাল কিন্তু নীল সমুদ্রে মিশে যাবে।’ টুইটার কথোপকথনে দু’দেশের রাষ্ট্রনেতার শুভেচ্ছা জানানোর নয়া পদ্ধতি বেশ মনে ধরেছে ক্রিকেট অনুরাগীদের।

উল্লেখ্য, গ্রুপ শীর্ষ হয়ে সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করায় শেষ চার না খেলেই ফাইনালের টিকিট কাটেন হরমনপ্রীতরা। সিডনিতে বৃষ্টিবিঘ্নিত সেমিফাইনালে একটিও বল না গড়ানোয় গ্রুপের ফলাফল দেখে নির্ধারিত হয় ভবিষ্যত। ভারত সবক’টি ম্যাচ জিতে গ্রুপ-‘এ’ থেকে শীর্ষে শেষ করায় প্রথমবারের জন্য পৌঁছে যায় ফাইনালে। যদিও আইসিসি গুরুত্বপূর্ণ এমন স্টেজে রিজার্ভ-ডে’র ব্যবস্থা না রাখায় হয়েছে বিস্তর সমালোচনাও।

অন্যদিকে বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ রানে (ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়ম) পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে এই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই অভিযান শুরু করেছিলেন মন্ধনা-হরমনপ্রীতরা। তাই রবিবাসরীয় মহারণের আগে আশায় বুক বাঁধছে দেশের ক্রিকেট অনুরাগীরা।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প