নয়াদিল্লি: একবার ভ্যাক্সিন বেরলে কেউ বাদ যাবেন না। প্রত্যেক ভারতীয় ভ্যাক্সিন পাবেন। এমনটাই আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভ্যাক্সিন সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

‘ইকনমিক টাইমস’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে অবশ্যই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে থাকা মানুষদের আগে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। তবে কেউই বাদ যাবেন না।

কীভাবে এত বেশি জনসংখ্যার দেশে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে, সেই প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ২৮০০০ কোল্ড চেন তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ভ্যাক্সিন স্টোর করা থাকবে। প্রত্যেক রাজ্যে বা জেলায় বিশেষ টিম থাকবে, যারা ভ্যাক্সিন দেওয়ার কাজ করবে। সঠিকভাবে বিতরণ করা হবে ভ্যাক্সিন।

তবে প্রধানমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে করোনা ভ্যাক্সিন এখনও তৈরি হয়নি। এখনও গবেষণা চলছে।

ভারতে ভ্যাক্সিন কবে আশায়, সেই আশায় পথ চেয়ে আছেন বহু মানুষ। ভ্যাক্সিন এলে তবে যদি গ্রাফ নিম্নমুখী হয়, এমনটাই আশা। তবে সেরাম ইনস্টিটিউটের দাবি, ভ্যাক্সিন আসতে আর খুব বেশি দেরি নেই।

সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সুরেশ যাদব সম্প্রতি জানিয়েছেন, ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যেই ভ্যাক্সিন বাজারে এসে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ভ্যাক্সিনের ডোজ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, ডিজিসিআই একবার অনুমোদন দিলেই ভ্যাক্সিন সম্পূর্ণ রেডি হয়ে যাবে।

সেরামের কর্ণধার জানান, ট্রায়াল বন্ধ রাখা হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ। আরও বেশি স্বচ্ছতা রাখার জন্য সময়ও নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষেই ফেজ থ্রি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ডেটা ডিজিসিআই-কে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

ডিজিসিআই সন্তুষ্ট হলে এক মাসের মধ্যে এমার্জেন্সি লাইসেন্স দেওয়া হবে। এরপর ‘হু’-র কাছে যাওয়া হবে। এরপর পর আন্তর্জাতিক সংগঠন Gavi ওই ভ্যাক্সিন কিনে নেবে, যাতে সবাইকে সমানভাবে ভ্যাক্সিন দেওয়া যায়।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।