নয়াদিল্লি : নজরে বাংলা। একুশের নির্বাচনে বাংলা জয়ের টার্গেট বিজেপির সামনে। সেই লক্ষ্যেই একের পর এক ব়্যালি করার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Modi)। জানা গিয়েছে মোদী বাংলায় ২০টি ব়্যালি (20 rallies in Bengal) করবেন। অসমে করবেন ৬টি ব়্যালি (6 in Assam)।

বিজেপি সূত্রে খবর, শীর্ষ নেতাদের এই ধরণের জনসভা প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের মনে, যার ছাপ পড়তে চলেছে ভোটবাক্সে। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হলেও, বিজেপির ফোকাসে রয়েছে বাংলা। সাতই মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করবেন মোদী (PM Modi to address 20 rallies)।

মোদী ছাড়াও রাজ্যে একাধিক সভা করবেন অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা, স্মৃতি ইরানি, রাজনাথ সিং, যোগী আদিত্যনাথ, শিবরাজ সিং চৌহান, নীতিন গডকরির মতো নেতারা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ-ভূমি জয়ে বদ্ধপরিকর বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রীর আনাগোনা বাড়ছে রাজ্যে। নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করার পালা। সেই কাজেই এবার কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি।

রাজ্যে বিজেপি নেতাদের আনাগোনাকে কটাক্ষ করেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চন্দ্রিমা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি ভাল রাস্তা দেখতেই নরেন্দ্র মোদী- অমিত শাহরা বারবার আসছেন বাংলায় আসছেন৷’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, বাম-কংগ্রেসের লোকেরাই ৭ তারিখের ব্রিগেডে থাকছে কিনা, সেপ্যাপারেও তাঁদের নজর থাকবে৷

কদিন আগেই জেপি নাড্ডাকে বাংলার ‘পেটুক জামাই’ বলে আখ্যা দিয়ে শানিয়েছিলেন চন্দ্রিমা৷ তিনি বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝেই পেটুক জামাই আসছেন। যেখানে সেখানে পাত পেড়ে খেয়ে যাচ্ছেন। জামাইষষ্ঠীর দিন এলে ২১ পদ রান্না করে মা বোনেরা খাওয়াবে। তার আগে হাতা খুন্তির শব্দ শুনতে হবে।’

বাংলা দখলের লড়াইয়ে ভোটের আগে প্রায়ই বঙ্গ সফরে আসছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। এ নিয়ে ‘বহিরাগত’ শব্দ প্রয়োগ করে আক্রমণ শানাচ্ছে বাংলার শাসকদল। ‘বহিরাগত’ তকমা নিয়ে ভোটমুখী বাংলায় সরগরম রাজনীতি। এই আবহে বাংলা জুড়ে মোদীর ২০টি সভা করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.