নয়াদিল্লিঃ বাংলায় নজর ছিল লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই৷ সেই মত ঝাঁপিয়ে ছিলেন মোদী-শাহ জুটি৷ ফলও মেলে হাতে নাতে৷ ২জন সাংসদ থেকে সংখ্যাটা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ১৮তে৷ তবে ভোটপরবর্তী সময়েও বাংলাকে যে গুরুত্ব দিচ্ছেন মোদী, তার প্রমাণ মিলেছিল রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরিকে পদ দেওয়ায়৷

যদিও, শুক্রবার সকালে মহিলা সাংসদদের সাথে সৌজন্যমূলক যে সাক্ষাত সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তাতে উপস্থিত ছিলেন না পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ। মোদীর দ্বিতীয় দফার ক্যাবিনেটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোন পূর্ণমন্ত্রী না থাকলেও, রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দফতরের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে আজকের বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না৷

২০১৯-এর সপ্তদশ লোকসভা ভোটের পর মোদীর মন্ত্রিসভায় মহিলা সাংসদের সংখ্যা ৭৮ জন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি। তাই বেড়েছে দায়িত্ব। সেইসব বিষয়গুলি ঝালিয়ে নিতে এদিনের বৈঠক বলে খবর৷

আরও পড়ুন : BigBreakingNews- গুরু নানকের জন্মদিনে ভারতে আমন্ত্রিত পাক প্রধানমন্ত্রী

এদিন সাংসদদের সাতটি দলে ভাগ করা হয়। কিছুদিন আগেই মোদী তফশিলি, ওবিসি সাংসদ ও অন্যান্য মন্ত্রীদের সাথে দেখা করেন। প্রধানমত্রীর সাথে শুক্রবার সকালে প্রাতরাশের বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে পৌছে দেওয়ার ও সেইসব বিষয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্যই মূলত মহিলা সাংসদদের সঙ্গে এই বৈঠক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের পর সাংসদেরা জানান, এটাই প্রথম মোদীজীর সাথে তাদের সৌজন্যমূলক সাক্ষাত৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সারা ভারতে সাংসদ বেড়েছে বিজেপির। তা ছাড়াও রয়েছেন রাজ্যসভায় দলের সাংসদরা। এবার তাদের সবার সঙ্গেই যোগাযোগ গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী। তাই বিধায়কদের সাতটি ক্যাটেগরিতে ভাগ করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্যাটেগরির মধ্যে রয়েছে মহিলা, ওবিসি, এসসি, এসটি। বৃহস্পতিবার সকালে এসসি এসটি সাংসদদের নিয়ে বৈঠকটি হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গে এই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

গত সোমবার বিধানসভায় সবদলের এসসি এসটি বিধায়ক নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে ৮৪ জন তপশিলিভুক্ত বিধায়ক রয়েছেন। সবাই ডাক পেয়েছিলেন এই বৈঠকে। রাজনীতিবিদদের একাংশের মতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই চেষ্টা হল বাম ও কংগ্রেসকে কাছে টানার চেষ্টা।