মানামা: ৪২ কোটির প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ রবিবার বাহরিনের রাজধানী মানামাতে শ্রীকৃষ্ণের মন্দির সংস্কারে উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী৷ এই মন্দিরটি ২০০ বছরের পুরোনো৷ এদিন শ্রীনাথজী মন্দিরে প্রসাদ গ্রহণ করেন মোদী৷ পালন করেন জন্মাষ্টমী৷ সেখানেই ঘোষণা করেন এই মন্দিরের সংস্কারে উদ্যোগ নেবে ভারত সরকার৷

১৬, ৫০০ স্কোয়ার ফিটের জমিতে সংস্কারের কাজ শুরু হবে৷ এছাড়াও বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৫ হাজার স্কোয়ার ফুটের চার তলা একটি ভবন নির্মাণের প্রকল্প৷ এই পবিত্র স্থানে থাকবে প্রার্থনা ঘর, সভা স্থল৷ মূলত মন্দিরটিকে হেরিটেজ সাইট হিসেবে গড়ে তোলার ভাবনা চিন্তা রয়েছে কেন্দ্রের৷

আরও পড়ুন : লক্ষ্য ছিল নাশকতা, কপালে তিলক কেটে ঘুরছিল পাক জঙ্গি ইলিয়াস

থাত্তাই হিন্দু সংগঠন মন্দিরটি তৈরি করে ১৮১৭ সালে। জানা যায় এরা হল অবিভক্ত ভারতের সিন্ধু সম্প্রদায়ের একটি অংশ৷ রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হয় মন্দিরটি৷ জানা যায় এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম মন্দির৷ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম নরেন্দ্র মোদী পা রাখলেন বাহরিনে৷ বাহরিনের রাজধানী মানামার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মন্দিরটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় দ্রষ্টব্য৷ এই মন্দিরের স্বীকৃতিতে পুরোন মানামা অঞ্চলকে ‘বাহরিনের ছোট্ট ভারত’ হিসাবে মনোনীতও করা হয়েছে৷

এদিকে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব জায়েদ’ তুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখায় শনিবার মোদীকে এই বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়৷

দীর্ঘদিন ধরে আরব আমিরশাহীর সঙ্গে বন্ধুত্ব অটুট রাখার জন্যই দেওয়া হয় এই বিশেষ সম্মান৷ মোদীকে এই সম্মান প্রদান প্রসঙ্গে আরব আমিরশাহীর যুবরাজ শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহয়ান জানিয়েছিলেন, দুই দেশের সম্পর্কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুন : ইউটিউবে হীরে খোঁজার উপায় দেখতে গিয়ে হাতে এল সত্যিকারের হীরে

তাঁর কথায়, ভারত ও আরব আমিরশাহীর মধ্যে যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল, তাকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন মোদী৷ আগামিদিনে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়, সেই ক্ষেত্রেও মোদী কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন যুবরাজ। ২০১৮ তে এই মেডাল দেওয়া হয়েছিল চিনের প্রেসিডেন্ট জিংপিং-কে।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর অন্যতম স্রষ্টা শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহয়ানের নামে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। তাঁর জন্মশতবর্ষে পুরষ্কারটি দেওয়া হয় নরেন্দ্র মোদীকে৷