ঠাকুরনগর: বড়মার সঙ্গে দেখা করেই সভা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছোট মাঠও ভরিয়ে ফেলেছে মানুষ। এই দৃশ্য দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দেখে বুঝতে পারছি যে কেন দিদির হিংসা হচ্ছে।’

ঠাকুরনগরে যা বললেন মোদী

  • তৃণমূলকে বলছি, নাগরিকত্ব বিলে সমর্থন করুন।
  • এইসব লোকদের ভারত ছাড়া আর কোনও জায়গা নেইল এদের কোনও অপরাধ নেই।
  • দেশকে ভেঙে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রদায়িক অত্যাচারে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ছেড়ে আসতে হয়েছে হিন্দু, শিখ, জৈনদের।
  • আপনাদের উৎসাহ, ভালবাসার কাছে আজকের ময়দান ছোট হয়েছে, জায়গা কম পড়েছে।
  • কর্ণাটকে যে কৃষকরা ঋণের টাকা দিতে পারছে না, তাদের পিছনে পুলিশ লাগানো হয়েছে। আর সেই কর্ণাটকের সরকার সমর্থন করছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে।
  • কোনও কোনও রাজ্যে কৃষকদের ঋণমকুবের নামে ভোট হয়েছে। এরপর দেখা গিয়েছে যাদের ঋণ মকুব হয়েছে, যারা কোনোদিন ঋণই নেয়নি।
  • পশ্চিমবঙ্গে তিন কোটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বছরে ৬০০০ টাকা তিনটি কিস্তিতে অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে জমা হবে।
  • ভোটের পর যখন নতুন করে পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে, তখন কৃষকদের পরিস্থিতি আরও ভালভাবে বোঝা যাবে।
  • এই দৃশ্য দেখার পর আমি বুঝতে পারছি যে কেন দিদির হিংসা হচ্ছে।
  • বাজেটে উপকৃত হবেন ভারতের কৃষক, শ্রমিক ও মধ্যবিত্তরা।
  • দেশের ইতিহাসে প্রধমবার কৃষকদের জন্য বাজেটে বড়সড় যোজনার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
  • গত সাড়ে চার বছর ধরে নতুন ভারত গড়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
  • স্বাধীনতার পরও অনেক জায়গায় গ্রামের পরিস্থিতি পাল্টায়নি।
  • বাংলা ভারতকে বিভূতিভূষণের মত সাহিত্যিক দিয়েছেন। তিনি তৎকালীন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন তাঁর ‘পথের পাঁচালী’ বইতে।
  • বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ, নেতাজি, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিকে আমি নতশিরে প্রণাম জানাই।
  • আপনারা যে আমাকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। তার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই।
  • ভাইয়ো-বেহনো বলে বক্তব্য শুরু করলেন মোদী। বললেন এই মাটি বিভূতিষূষণের মাটি।
  • মঞ্চলে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • সব জল্পনা শেষ করে বড়মার সঙ্গে দেখা করলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে স্বাগত জানালেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর।
  • ঠাকুরনগরের মাঠে নামল মোদীর হেলিকপ্টার

ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়ি যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে ঠাকুরনগরে তৃণমুল এবং বিজেপির অন্দরে আড়াআড়ি বিভাজনের ছবি উঠে এলেও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে তৈরি সাধারণ মানুষ।

মোদী আসার আগে মঞ্চে বিজেপি নেতারা।

ঠাকুরবাড়ির মন্দির সংলগ্ন কৃষিজমির মাঠেই হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল। মূল মঞ্চ-সহ হেলিপ্যাড ঘিরে রেখেছে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজির নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না সাধারণ মানুষকে। তবু সকাল থেকেই জনতার ভিড়। খাওয়াদাওয়ার অঢেল ব্যবস্থা ছিল। সবাই পাত পেড়ে খেয়েছেন গুরুচাদ ভবনে।

মোদীর সভাস্থলে সকাল থেকে প্রচুর মানুষের ভিড়।

মতুয়া মন্দিরে পুজো দিয়েই শনিবার মতুয়া সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভার চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ। এখন শুধু অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরনগরে পা রাখার। ইতিমধ্যে সভাস্থল ভরে গিয়েছে। কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা।